ব্রেকিং নিউজ

ঢাকা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে আলোচনার শীর্ষে হারুন-উর-রশীদ সিআইপি

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

ঢাকা-৫ আসনের উপ-নির্বাচন ঘিরে নতুন স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। নৌকার প্রার্থী হিসেবে দেশের বিশিষ্ঠ শিল্পপতি, ত্যাগী ও পরীক্ষিত আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্জ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ সিআইপি-কে চান তারা। আসনটিতে নৌকার বিজয় নিশ্চিতে দীর্ঘ সময় ধরে অবদান রাখা এ ব্যবসায়ী নেতাকে এবার মূল্যায়ণ করার দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। ঢাকা-৫ (যাত্রাবাড়ী-ডেমরা) আসনের বার বার নির্বাচিত সাংসদ হাবিবুর রহমান মোল্লা সম্প্রতি সময়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। যার ফলে শূন্য আসনটির উপ-নির্বাচন ঘিরে চলছে নানা রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ।

স্থানীয়রা জানান, প্রয়াত সাংসদ হাবিবুর রহমান মোল্লার অবর্তমানে আসনটির রাজনীতিতে নানা পরিবর্তনের আভাস ফুটে উঠেছে। অন্তকোন্দলের চিত্র ফুটে উঠতে শুরু করেছে। আর এখান থেকে দলকে সুসংগঠিত ও জনপ্রিয়তার বিচারেও অক্লান্ত পরিশ্রমি, সহজ-সরল, বিনয়ী ও মিষ্টভাষী, খুব মিশুক আলহাজ্জ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ সিআইপিকে মনোনয়ন প্রদান সঠিক সিদ্ধান্ত হবে। আলহাজ্জ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ সিআইপি ভালোবাসার পরম প্রতিচ্ছবি। তিনি অক্লান্ত পরিশ্রমী, সহজ-সরল, বিনয়ী ও মিষ্টভাষী, খুব মিশুক একজন মানুষ। জীবনযাপন করেন সততার সাথে ও সাধারণভাবে। উন্নয়ন যার চিন্তা চেতনা, মানুষের ভালবাসাই তার মূলমন্ত্র ও প্রেরণা। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আলহাজ্জ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ সিআইপি। নিজের শ্রম, মেধা, উদার মানবিকতা, বিচক্ষণ রাজনৈতিক চিন্তাশক্তি, তুখোড় দেশপ্রেম ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে যিনি মিশে আছেন মাটি ও মানুষের মাঝে। এশিয়ান গ্রুপ, এশিয়ান টেলিভিশনের চেয়ারম্যান ও বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব এবং গুলশান প্রেস ক্লাব, ঢাকা-এর সভাপতি আলহাজ্জ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ সিআইপি।

দিনটা ছিলো ১৯৫২ সালের ২ এপ্রিল। আলহাজ্জ্ব ইমান আলী ও মিসেস রাবেয়া খাতুনের কোল আলোকিত করে পদ্মার বুক চিরে বয়ে যাওয়া মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে জন্ম নেন আলহাজ্জ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ। ব্যক্তিগত জীবনে ৪ ভাই, ২ বোনের মধ্যে তিনি জেষ্ঠ্য এবং ৮ সন্তানের জনক। ১৯৭৪ সালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে স্থায়ী আবাস গড়লেও সময়ের ¯্রােতে গা ভাসিয়ে তিনি শেকড় ভুলে যাননি কখনো। চিরচেনা গ্রামকে সবসময় হৃদয়ে ধারণ করা এই মানুষটি সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকেন সবসময়। ওয়ার্ডে, গ্রামে, স্কুলে, মাদ্রাসায়, ঈদগাহে, বাড়ি বাড়ি যার পদচারণা; মিলাদ মাহফিল, জানাজা, সামাজিক অনুষ্ঠান, মসজিদ, মন্দিরে যার সরব উপস্থিতি; সেই মানুষটিকেও পরম মায়ায় কাছে টেনে নেন সবাই। মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবনপণ সংগ্রামে দেশের স্বাধীনতার রক্তিম আলোকবর্তিকা হাতে নিয়ে দিগি¦দিক ঘুরে বেড়ান আলহাজ্জ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ সিআইপি।

যখনই মানুষ দুঃখ-দুর্দশার মধ্যে পড়েছে, তখনই তিনি বাড়িয়ে দিয়েছেন সহযোগিতার হাত। ১৯৮৮ সালে যখন বানের জলে ভাসছে গোটা দেশ, খাদ্যের অভাবে যখন দিশেহারা বানভাসী মানুষ, তখন ত্রাণ সহায়তা নিয়ে অসহায় দুর্গতদের পাশে গিয়ে হাজির হয়েছেন আলহাজ্জ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ সিআইপি। ১৯৯৮ সালের বন্যায়ও নিজেকে নিয়োজিত রাখেন মানুষের সেবায়। শুধু ত্রাণ সহায়তা দিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি, খুলেছিলেন লঙ্গরখানাও। ২০০৯ সালে পিলখানা ট্র্যাজেডিতে নিহতদের পরিবারকে সহযোগিতার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র হাতে তুলে দিয়েছেন নগদ সহায়তা চেক। আর কক্সবাজারের রামুতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে ভয়াবহ হামলার নিন্দা জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র নির্দেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পাশে থেকেছেন ট্রাকে ট্রাকে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে। এছাড়াও ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ নির্বাচনী এলাকায় পবিত্র ঈদ উল ফিতর, ঈদ উল আযহা ও বিভিন্ন পৌঁষ পার্বণে এলাকার জনসাধারণের মধ্যে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিতরণ করে থাকেন। হাড়কাঁপানো শীতে শীতার্তদের মাঝে বিতরণ করে থাকেন কম্বল ও শীতবস্ত্র। ২০১১ সালের অক্টোবরে ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলার দামাল ছেলেরা। মাশরাফিদের কৃতিত্বে গণভবনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন উন্নয়নের রূপকার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশে^ বাংলাদেশকে উজ্জ্বল করা টাইগার বাহিনীর সবাইকে এশিয়ান টেক্সটাইলের কাপড় উপহার দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে, এসময় প্রধানমন্ত্রী’র সাথে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্জ্ব হারুন-উর-রশীদ সিআইপি। তাঁর উদ্যোগে আঁধারে দিন পার করা অনেকেই আলোকিত হয়েছেন নতুন আলোয়।

আলহাজ্জ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ সিআইপি শুধু একজন সফল ব্যবসায়ী নন, সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন সংগঠনের; পেয়েছেন সফলতাও। সদস্যদের সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত হয়ে টানা ৬ মেয়াদে পারিচালকের দায়িত্ব পালন করেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ‘‘দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-এফবিসিসিআই”-এ। এফবিসিসিআই’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি। রপ্তানিতে বিশেষ অবদানের জন্যও সাফল্যের মুকুট পড়েছেন মাথায়, টানা ১৭ বার নির্বাচিত হয়েছেন সিআইপি। বস্ত্র রপ্তানি খাতে পুরস্কার পেয়েছেন ১৬ বার। আলহাজ্জ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ সিআইপি এশিয়ান গ্রুপ, এশিয়ান টেলিভিশন, এশিয়ান রেডিও’র গর্বিত চেয়ারম্যান। সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-এর সদস্য, বাংলাদেশ গ্রে অ্যান্ড ফিনিশড ফেব্রিক্স মিলস অ্যান্ড এক্সপোর্টারস এসোসিয়েশন এবং প্রাইভেট রেডিও ওনার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ টুইস্টিং মিলস এসোসিয়েশনের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। এসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স-অ্যাটকোর পরিচালক এবং বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির প্রধান উপদেষ্টাও তিনি।