ব্রেকিং নিউজ

প্রশাসনের কড়া নজরদারীতে পৌরসভার ৪শত পরিবার মাঝে ১০ টাকার চাল বিতারণ

॥ হাটহাজারী প্রতিনিধি ॥

চট্টগ্রামের হাটহাজারী পৌরসভার ৪টি ওয়ার্ডে ৪ শত পরিবারের মাঝে বিশেষ ওএমএস কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকার চাল বিতারণ করেন খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তর কর্তৃক নিয়োগকৃত ডিলাররা।প্রতি কার্ডধারীকে ১০কেজি করে চাল বিতারণ করা হয়।অতি দু:স্থরা কার্ড নিয়ে স্বল্পমূল্যে প্রতিমাসে ২০ কেজি করে চাল পাবেন।

এত বছর কিছু ডিলার কার্ডধারীদের নোংরা কম দামের চাল দিয়ে ঠকিয়ে আসছিল অসহায় পরিবার গুলোকে। বিষয়টি জানতে পেরে পৌর প্রশাসক(ইউএনও) উপজেলার বিভিন্ন দোকানে অভিযান পরিচালনা করে তিনটি মুদির দোকান থেকে প্রায় ৯৭ বস্তা সরকারী চাল উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর সংশ্লিষ্ট ডিলারের বিরুদ্ধে মামলা করেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা।

সোমবার(২২ জুন) পৌর সদর ৪টি ওয়ার্ডে কার্ডধারীদের দেয়া হয় ১০ টাকা দামের চাল। কার্ডধারীরা জানায়,এত বছর ভালো মানের চাল পায়নি কিন্ত আজ পেয়েছি।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারাদেশে অঘোষিত লকডাউনের কারণে সবচেয়ে বেশি সংকটে আছে নিম্নআয়ের দরিদ্র ও দিনমজুর মানুষেরা।

সকাল থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারে একটি টিম পৌরসভার ৪টি ওয়ার্ড মনিটরিং করেন বলে জানা গেছে।

ডিলারের অনিয়মের কারনে এত বছর সরকারী উন্নতমানের চাল দরিদ্র কর্মহীন পরিবারের ঘরে পৌঁছেনি।সরকার এ সব চাল গরীবদের মাঝে বন্ঠন করার জন্য উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের বরাবরে পৌছে দেয়। এ সব দেখার দায়িত্ব যাদের তারা এত বছর নীরব ভুমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের বসবাসকারী একাধিক কার্ডধারী অভিযোগ করেন,ডিলার নোংরা দুর্গন্ধ এবং মোটা চাল দিয়েছেন আমাদেরকে সে গুলো খাবারের অযোগ্য।

ডিলারদের অনিয়ম জানতে পেরে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক রুহুল আমিন উপজেলা ও পৌর সদরের তিনটি মুদির দোকানে অভিযান পরিচালনা করে সরকারী প্রায় ৯৭ বস্তা চাল উদ্ধার করেন। তিনি তাদের বিরুদ্ধে জরিমানা না করে করোনাকালে কর্মহীন দরিদ্র পরিবারদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা এনে সংশ্লিষ্ট ডিলারের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করার জন্য উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক লিখিত দেন। করোনাকালে গরীব ও কর্মহীন মানুষদের ঠকানো এটা একটা অমানবিক বলে তিনি জানান। যার কারনে অভিযুক্ত ডিলারকে ছাড় দেয়া যায় না বলে তিনি উল্লেখ্য করেন।