রাঙামাটিতে আসার ৫৫ দিনে ১৭ অভিযানঃ মাদক ব্যবসায়ীদের প্রতি কঠোর বার্তা নতুন কর্মকর্তার

॥ মাসুদ পারভেজ নির্জন ॥

তিন বছর বরিশালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ও দুইমাস ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালকের দায়িত্ব সুনামের সাথে দায়িত্ব পালনের পর অবশেষে ০৪ মে ২০২০ রাঙামাটিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক পদে যোগদান করেন মিজানুর রহমান শরীফ।এছাড়া ও তিনি নিষ্ঠার সাথে দেড় বছর চাদপুর ও লক্ষীপুর এবং জয়পুরহাট জেলায় দুই বছর দায়িত্ব পালনকালে প্রচুর অভিযান ও মামলা দায়ের করেছেন। অবশেষে রাঙামাটিতে যোগদানের পরপরই রাঙামাটিকে মাদক নির্মূলের প্রত্যয় নিয়ে প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভূয়সী প্রশংসিতও হয়েছেন একাধিকবার।

২ মাসের কম সময়ে এ পর্যন্ত তিনি নিজে প্রায় ১৭ টিরও বেশি অভিযান পরিচালনা করে ৭টি অভিযানে মাদকদ্রব্য, চোলাইমদ ও ওয়াশ উদ্ধার করেন। দায়িত্ব নেওয়ার কিছুদিন পরেই ২৮ মে কাউখালীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর ও এনএসআই এর যৌথ অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করা হয়।

৩১ মে টিটিসি পিয়ারাটিলা এলাকায় পৃথক পৃথক দ্ইুটি অভিযান পরিচালনা করে ৬০ লিটার চোলাই মদ ও ২৭০০ লিটার ওয়াশ(মদ তৈরির উপকরন) উদ্ধার করে ২ জনকে আটক করা হয়।

এছাড়া জুন ২১ তারিখে আসামবস্তী ও রাঙাপানি এলাকায় দুইটি অভিযান পরিচালনা করে ২০ লিটার চোলাই মদ ও ৭০৫ লিটার ওয়াশ(মদ তৈরির উপকরন) উদ্ধার করে ২ জনকে আটক করা হয়।

জুন ২৪ তারিখে আসামবস্তী লেমুছড়ি ঘাট থেকে অভিযান পরিচালনার সময় ১০ লিটার চোলাই মদ সহ ১ জনকে আটক করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান শরীফ জানান,বর্তমান সরকারের অন্যতম ভিশন ও মিশন মাদক সন্ত্রাস ও দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা।তাই আমরা যুব সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে রাঙামাটিতে হয় আমরা থাকবো নয় মাদক ব্যবসায়ীরা থাকবে।প্রধানমন্ত্রী যে মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জিরো টলারেন্স নীতি,এই নীতি অনুসরন করে আমরা এগিয়ে যাবো।জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী যার ফলে কাজ করতে অনেক সময় হোচট খেতে হয়। যতই হোচট খেতে হোক রাঙামাটি জেলায় আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করবো। প্রতিটি পরিবার যেন মাদকমুক্ত আদর্শ পরিবার হয় এটাই আমাদের কামনা।

এসময় তিনি সাধারন মানুষকে মাদকব্যবসায়ীদের ঠিকানা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরকে দেওয়ার আহবান জানান।