ব্রেকিং নিউজ

হালদায় ভাসা জাল দিয়ে চলছে মাছ লুট

॥ হাটহাজারী প্রতিনিধি ॥

দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর পরিবেশ রক্ষার্থে সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে যাচ্ছেন । সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য মৎস্য অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসন নানা উদ্যোগ নিয়েছেন। বর্তমান হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে চলছে নদীর পরিবেশ রক্ষার্থে অভিযান। এ দিকে সরকারের নানা উদ্যোগের মাঝেও নদী থেকে মাছ শিকারের ব্যস্থ অসাধু মাছ ব্যবসায়ীরা। কিন্ত থেমে নেই উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত। গভীর রাতে খবর পেলেও ছুটে যান ইউএনও রুহুল আমিন।গত দুই বছরে হাজার হাজার ঘনফুট জাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত।

সরেজমিন স্থানীয় এলাকাবাসীদের অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়,হালদার  উত্তর মাদার্শা আমতুয়া এলাকায় রাতের অন্ধকারে মা-মাছ শিকারে ব্যস্থ থাকে কিছু অসাধু মাছ শিকারী । স্থানীয়রা জানায়,রাতে হালদা নদীতে জাল ফেলে বিভিন্ন কৌশলে মাছ শিকার করে যাচ্ছে প্রভাবশালী কিছু মাছ শিকারী। বড় মাছ গুলো ধরার পরে যাই কই এমন প্রশ্ন এলাকাবাসীদের। তবে তারা স্থানীয় প্রভাবশালীদের নাম উল্লেখ্য না করলে এ প্রতিবেদককে বলেন,নদীতে যারা জাল ফেলে মাছ শিকার করেন তারা কিন্ত বড় মাছ গুলো বাহিরে বিক্রি করতে পারে না। কারন  সে মাছের ভাগ দিয়ে দিতে হয় স্থানীয় সেল্টার দাতাকে যারা প্রশাসনের কাছে ভালো মানুষ।

বর্তমান ইউএনও রুহুল আমিন প্রায় সময় নদীতে অভিযান পরিচালনা করে ভাসা ঘেরাও জাল উদ্ধার করা হলেও বহাল তবিয়ে মাছ শিকারে ব্যস্থ উত্তর মাদার্শা আমতুয়া এলাকায়। নদীতে সব চেয়ে শক্তিশালী মাছ শিকারী সিন্ডিকেট রয়েছে এই এলাকায় তারা সন্ধ্যা হলে হালদা নদী থেকে মাছ শিকারে ব্যস্থ থাকেন।

স্থানীয়রা প্রভাবশালীদের নাম উল্লেখ্য না করলেও এ প্রতিবেদককে বলেন,নদীতে যারা মাছ শিকার করে তাদেরকে রক্ষা করেন এলাকার প্রভাবশালীরা যারা আইনের কাছে একেবারেই ভালো মানুষ। তাদের ভয়ে কেহ প্রশাসনকে তাদের নাম বলতে সাহস
পায় না।

এলাকার সচেতন মহলের দাবী হালদার উত্তর মাদার্শার আমতুয়া এলাকাকে চিহিৃত করে মাঝে মধ্যে অভিযানের পরিচালনা করার জন্য ইউএনও প্রতি অনুরোধ জানান।