ব্রেকিং নিউজ

গুইমারায় হত্যাচেষ্টার আসামীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে!

॥ আল মামুন ॥

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার গুইমারা উপজেলার হাতিমুড়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মো: আলম নামের যুবককে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। তার উপর সন্ত্রাসী হামলার পর গুইমারা থানায় দায়ের করা মামলায় এ তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এ ঘটনায় গুইমারা থানায় আলমের স্ত্রী হাছিনা বেগম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

১৫ জুলাই বুধবার সকাল ১০টায় গুইমারা থানার ওসি (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম হাতিমুড়ায় ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীদের অবস্থান ও ঘটনার সূত্রপাত ও কিভাবে ঘটনা ঘটিয়েছে প্রত্যক্ষ করেন।

এ সময় বাদী পক্ষের হাফিজুল ইসলাম আসামী পক্ষের ছিলেন রুহুল আমিনসহ স্বাক্ষীগন দীর্ঘক্ষন হত্যার উদ্দেশ্যে পূর্ব পরিকল্পিত হামলার বর্ণনা দেন। হামলাকারীরা পলাতক থাকায় কাউকে আটক বা জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হয়নি। হামলাকারীদের অভিবাবককে রুবেল ও ইব্রাহিমকে সন্ধ্যার মধ্যে থানায় হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ সময় হাতিমুড়ায় উপস্থিত জনতা এ ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করেন।

উল্লেখ্য যে, গত বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই ২০) সকাল ১১ টায় হাতিমুড়া বাজারের তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় মো: আলম (৩৭) ঐ যুবককে হত্যার চেষ্টা করে আসামী এলাকার চিহিৃত সন্ত্রাসী মোঃ রুবেল, ইব্রাহিম, সহযোগি জাহাঙ্গীর মিয়া ও তার শ^শুড় রুহুল আমিন।

সেদিন মো: আলমকে হাতিমুড়ার মান্নানের চায়ের দোকানের সামনে ফিল্মি স্টাইলে অতর্কিত ভাবে হামলা চালিয়ে নির্দয়ভাবে স’মিলের দাড়ালো কাঠ দিয়ে মাথায় ও পায়ে মারধর গুরুত্বর ভাবে জখম করে সন্ত্রাসীরা।

পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেকে) রেফার করে। এ ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে হামলাকারীরা।

স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ হামলাকারীরা এটি ছাড়াও একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকা- ও বিভিন্ন মহিলা,স্কুলপড়ুয়া ছাত্রীদের ইভটিজিং এর ঘটনা ঘটিয়ে আসছে দীর্ঘনি ধরে। তাই স্থানীয়রা হামলাকারী চিহিৃত সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তারসহ দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানান।