সড়ক দুর্ঘটনা রোধে রাঙামাটি-মানিকছড়ি সড়ক পরিদর্শনে দীপেন দেওয়ান


অহিদুল ইসলাম অভি    |    ০৮:৫১ পিএম, ২০২৬-০৮-১৬

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে রাঙামাটি-মানিকছড়ি সড়ক পরিদর্শনে দীপেন দেওয়ান

রাঙামাটি-মানিকছড়ি সড়কের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।

রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে মানিকছড়ি এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হওয়ার পর সড়কের নিরাপত্তা পরিস্থিতি গুরুত্ব দিয়ে দেখার অংশ হিসেবে শহর থেকে মানিকছড়ি পর্যন্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট পরিদর্শন করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে সড়কের বিভিন্ন বাঁক, ঝুঁকিপূর্ণ অংশ ও দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে এমন স্থানগুলো সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন দীপেন দেওয়ান। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তিনি হেঁটে গিয়ে সড়কের বাস্তব পরিস্থিতি দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

এসময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক এবং সড়ক ও জনপথ (সওজ) রাঙামাটির উপ-প্রকৌশলী রনেল চাকমা।

সড়ক পরিদর্শনের সময় দীপেন দেওয়ান ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। সড়কের কোথায় কী ধরনের পদক্ষেপ প্রয়োজন, তা সরেজমিনে নির্ধারণ করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সওজের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেন তিনি।

বিশেষ করে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলোতে চালকদের সতর্ক করার জন্য প্রয়োজনীয় সাইনবোর্ড স্থাপন, সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং নিরাপদ চলাচলের পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন সংসদ সদস্য।

দীপেন দেওয়ান বলেন, মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাঙামাটির যেসব এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে, সেসব স্থান চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

এর আগে সকালে মানিকছড়িতে পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক থেকে ছিটকে পড়ার ঘটনায় চারজন নিহত ও দুজন আহত হন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নেন এবং নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন দীপেন দেওয়ান। পরে সড়কের নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে তিনি মানিকছড়ি সড়ক পরিদর্শনে যান।

দুর্ঘটনার পরপরই সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়ায় সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন বলে জানান তিনি।

সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত ব্যবস্থা ও সতর্কতামূলক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে ভবিষ্যতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।