দূর্গম এলাকায় ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছাতে সরকার কাজ করছে; দীপংকর তালুকদার-এমপি


নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ১২:২৮ এএম, ২০২২-০৪-১০

দূর্গম এলাকায় ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছাতে সরকার কাজ করছে; দীপংকর তালুকদার-এমপি

খাদ্য মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার এম পি বলেছেন, দূর্গম পার্বত্য এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে, ঘর আলোকিত করে জ¦লছে বিদ্যুতের আলো।

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত দূর্গম পাহাড়ী পল্লী গুলোতে বিদ্যুতের আলো পৌঁছাবে, এক সময় যা ছিল স্বপ্ন-কল্পনা, তা আজ শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধিন আওয়ামীলীগ সরকার একের পর এক বাস্তবায়ন করে চলেছে, তা এখন আর স্বপ্ন-কল্পনা নয়।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ধারণ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন, সুখী সমৃদ্ধশালী সোনার বাংলা বিনির্মাণে আগামী সংসদ নির্বাচনে আরো বিপুল ভাবে ভোট দিয়ে আওয়ামীলীগকে সরকার গঠনে সহযোগীতা করতে হবে। তিনি আজ শনিবার রাঙামাটি কাউখালীর ৩ নং ঘাগড়া ইউনিয়নের ১০টি দুর্গম পাহাড়ী গ্রামে বিদ্যুৎ  সরবরাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।

তিনটি পার্বত্য জেলায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্প এর অধিনে বাস্তবায়িত বিদ্যু সরবরাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অং সুই প্রু চৌধুরী, কাউখালী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শামসুদোহা চৌধুরী, তিনটি পার্বত্য জেলায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী উজ্জল বড়ুয়া, নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুর রহমান, রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল,  ঠিকাদার দানবীর চাকমা,  কাউখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাঙ্গঠনিক সম্পাদক রঞ্জন মনি চাকমাসহ উপকার ভোগী জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

এরপূর্বে ৩ নং ঘ্গড়া ইউনিয়নের চেলাছড়া হতে নোয়াপাড়া, বাদলছড়ি, লেভাপাড়া, কহ্যইছড়ি, হারাঙ্গী রিফিউজী পাড়া ও আশপাশ এলাকা এবং কাউখালী উপজেলার চেলাছড়া হতে চাকমা যৌথ খামার, মারমা যৌথ খামার, মিটিঙ্গ্যাছড়ি ও আশপাশ এলাকায় ফলক উম্মোচন ও সুইচ টিপে  বিদ্যুতায়নের শুভ উদ্বোধন করেন দীপংকর তালুকদার এম পি। এতে রয়েছে ১১ কেভি লইন ৭ কিলোমিটার ও ০.৪ কে ভি লাইন ৬ কিলোমিটার। এর দ্বারা প্রায় ৮০০ শত পরিবার উপকৃত হবে।