দপ্তরীকে হত্যার দায়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী আটক


নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ০১:০৪ এএম, ২০২২-১১-১০

দপ্তরীকে হত্যার দায়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী আটক

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার চাকঢালা মহিউচ্ছুন্নাহ দাখিল মাদরাসার দপ্তরী দিদারুল আলমকে গলা কেটে হত্যার ১২ ঘন্টার ব্যবধানে একই মাদরাসার ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্র ছৈয়দুল আমিনকে আটক করেছে পুলিশ। ছৈয়দুল আমিন ওই এলাকার মো: হোসেনের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

বুধবার (৯ নভেম্বর) রাতে নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশ আটক ছৈয়দুল আমিনকে সঙ্গে নিয়ে আমতলীমাঠ ঘটনাস্থল খানাকা মসজিদের পুকুরের পশ্চিম পাশের ধান ক্ষেত থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা একটি দা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থনিয়রা জানান, আটক ছৈয়দুল আমিন ও নিহত দিদারের মধ্যে গত সোমবার ৬ষ্ট শ্রেণীর এক ছাত্রীর বিষয়ে তর্কাতর্কি হয়। ছৈয়দুল আমিন ওই ছাত্রীর সঙ্গে ক্লাস রুমে একান্তে কথা বলার সময় দপ্তরী দিদার দেখে ফেলে। দিদার এই বিষয়টি মাদরাসা কতৃপক্ষকে জানালে ওইদিন মাদরাসায় বৈঠকে বসে শিক্ষকরা। ঘটনার একদিন পর মঙ্গবার সন্ধ্যায় দিদার আলমকে গলায় কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

মাদরাসায় বৈঠকের সূত্র ধরে পুলিশ বুধবার সরেজমিন তদন্ত করে প্রকৃত আসামীকে আটক করতে সক্ষম হন। তবে এই বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ব্যবহৃত সরকারী মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আবছার ইমন জানান, আটক ছৈয়দুল আমিনকে নিয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে একটি রক্তমাখা দা উদ্ধার করে। নারী সংক্রান্ত বিষয়ে এই হত্যাকান্ড অনেকটা নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানান তিনি।