পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির অভিষেক


মেহেদী হাসান    |    ০৮:২০ পিএম, ২০২৫-১১-২৯

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির অভিষেক

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)-এর নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটির অভিষেক অত্যন্ত উৎসবমুখর ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫ রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের হলরুমে এ অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

রাঙামাটি জেলা পিসিএনপির সভাপতি, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি সোলাইমানের সঞ্চালনায় নবগঠিত নেতৃত্ব ও বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সদ্য নির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান কাজী মজিবর রহমান।

তিনি তাঁর বক্তব্যে সংগঠনের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ, দায়িত্ব ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, পিসিএনপি শুধু একটি সংগঠন নয়—এটি পার্বত্য অঞ্চলের সাধারণ মানুষের অধিকার, শান্তি ও উন্নয়নের প্ল্যাটফর্ম।

স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নবনির্বাচিত মহাসচিব শাব্বির আহমেদ সংগঠনের নীতিগত অবস্থান, সাম্প্রতিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে পিসিএনপিকে আরও শক্তিশালী করা হবে।

পার্বত্য এলাকার জটিল রাজনৈতিক বাস্তবতায় সংগঠনের ভারসাম্যপূর্ণ ভূমিকার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ আবু তাহের, শেখ আহমেদ রাজু, ফয়েজ আহমেদ, অ্যাডভোকেট পারভেজ তালুকদার, কাউন্সিলর আব্দুল মজিদ, রেজাউল করিম মাস্টার, মাওলানা আবু বক্কর ছিদ্দিকসহ সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। তাঁরা নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম, বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য নাছির উদ্দিন, লোকমান হোসেন, শাহাদাৎ ও রুহুল আমীন উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, স্থিতিশীলতা, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পিসিএনপির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যুব পরিষদ, ছাত্র পরিষদসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও অভিষেকে অংশগ্রহণ করেন এবং নতুন কমিটির প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে দোয়া পরিচালিত হয় নবনির্বাচিত কমিটির সফলতা, সংগঠনের ঐক্য এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি-উন্নয়নের জন্য।

পিসিএনপির এ অভিষেক অনুষ্ঠান সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল, যা পিসিএনপিকে আরও সুসংগঠিত, গতিশীল ও জনমুখী করে তুলবে।