দুর্গম কুরকটিতে মতবিনিময় সভায় বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ান


মাহাদি বিন সুলতান    |    ০৮:১৩ পিএম, ২০২৫-১২-০১

দুর্গম কুরকটিতে মতবিনিময় সভায় বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ান

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী, কেন্দ্রীয় বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সহ-সম্পাদক এবং সাবেক রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান লংগদু উপজেলার দুর্গম কুরকটি বাজারে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকালে কুরকটি বাজার মাঠে ১নং সুবলং ও ২নং বরকল ইউনিয়ন বিএনপির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন তিনি।

কুরকটি বাজারের ইতিহাসে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতার প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর এটি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ–উপজাতি বিষয়ক সম্পাদক কর্ণেল (অব.) মণীষ দেওয়ান, রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন, সহ-সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো, সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম পনির, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাকিল, যুগ্ম সম্পাদক মজিবুল হক, উপজাতি বিষয়ক সম্পাদক রনেল দেওয়ান, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মো. বাচ্চু মিয়া, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বির ও সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আল আমিন।

সভাটি পরিচালনা করেন বরকল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল এবং সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন সভাপতি ইব্রাহিম খলিল।

সুবলং ও বরকল ইউনিয়ন বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী সভায় উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা বক্তব্যে জানান, কুরকটিছড়িতে এই প্রথম কোনো রাজনৈতিক সভা অনুষ্ঠিত হলো। এলাকার দুর্গমতা উপেক্ষা করে উপস্থিত হওয়ায় প্রার্থী দীপেন দেওয়ানকে ধন্যবাদ জানান তারা।

বক্তারা অনুন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, দুর্বল মোবাইল নেটওয়ার্ক, নৌ–অ্যাম্বুলেন্সের প্রয়োজনীয়তা এবং অবহেলিত শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের দাবি তুলে ধরেন।

সভায় বক্তারা ধানের শীষের পক্ষে ভোট দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান বলেন, “আপনাদের সমস্যাগুলো আমি নিজ চোখে দেখেছি এবং আপনাদের কাছ থেকে শুনেছি।

যদি আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেন, তবে আপনাদের প্রতিটি সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করব।” তিনি আরও বলেন, “এই অঞ্চলের একটি বড় সমস্যা বন্য হাতির আক্রমণ।

এ বিষয়ে আমি ইতোমধ্যেই ডিএফও এবং সিএফ-এর সঙ্গে কথা বলেছি। বন্য হাতির ক্ষতিতে আক্রান্ত হলে সরকারিভাবে যেন দ্রুত ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায়, সে ব্যাপারে আমি ব্যক্তিগতভাবে আপনাদের সহায়তা করব।”

তিনি আধুনিক শিক্ষা, উন্নত চিকিৎসা এবং এলাকার সার্বিক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেন।