মারা গেলেন হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির


অহিদুল ইসলাম অভি    |    ১০:২১ পিএম, ২০২৬-০৩-৩০

মারা গেলেন হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির

‎দেশের প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির আল্লামা আবু তাহের কাসেমী নদভী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে দেশের ধর্মীয় অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

‎আল্লামা আবু তাহের নদভী দীর্ঘদিন ধরে দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার, মাদরাসা পরিচালনা ও ইসলামী দাওয়াহ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিলেন।

তিনি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া মাদ্রাসার মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পাশাপাশি তিনি আনজুমানে ইত্তিহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ (কওমি মাদরাসা বোর্ড)-এর চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন।

‎১৯৬০ সালে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তর নিশ্চিন্তপুর এলাকায় তার জন্ম। প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারে শুরু করে পরে বিভিন্ন কওমি মাদরাসায় পড়াশোনা করেন। তিনি জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়া থেকে দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করার পর উচ্চতর শিক্ষার জন্য ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ ও নাদওয়াতুল উলামা লখনৌসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করেন।

‎তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী এবং মহাসচিব আল্লামা শায়খ সাজিদুর রহমান। এছাড়া সংগঠনের প্রচার সম্পাদক মুফতি কিফয়াতুল্লাহ আজহারী এক শোকবার্তায় মরহুমের ইন্তেকালে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন।

‎শোকবার্তায় নেতারা বলেন, আল্লামা আবু তাহের নদভী ছিলেন জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ একজন আলেম, দক্ষ সংগঠক এবং দ্বীনের একজন নিবেদিতপ্রাণ খেদমতগার। তার ইলমি অবদান ও দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে নিরলস প্রচেষ্টা মুসলিম সমাজে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

‎শোক প্রকাশকারীরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করা হয় এবং তার কবরকে প্রশস্ত ও নূরে ভরপুর করা হয়। পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তাদের ধৈর্য ধারণের তাওফিক কামনা করা হয়।

‎শোক প্রকাশকারীরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করা হয় এবং তার কবরকে প্রশস্ত ও নূরে ভরপুর করা হয়। পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তাদের ধৈর্য ধারণের তাওফিক কামনা করা হয়।

‎ব্যক্তিগত জীবনে তিনি স্ত্রী, তিন পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন। তার বিদায়ে পরিবার, শিক্ষার্থী ও অনুসারীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

‎মরহুমের জানাজা সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রামের জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।