রাঙ্গামাটি সদরে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি গঠন


নাজিম আল হাসান    |    ০৩:২৪ পিএম, ২০২৬-০৪-০৫

রাঙ্গামাটি সদরে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি গঠন

রাঙ্গামাটি সদর উপজেলায় ক্রীড়া কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করতে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্দেশনা অনুযায়ী গঠিত এই কমিটিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

কমিটিতে কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠক তৌহিদুল আলম (মামুন) সদস্য-সচিব এবং ক্রীড়াবিদ এন কে এম মুন্না তালুকদার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

তৌহিদুল আলম (মামুন) রাঙামাটি জেলার ক্রীড়াঙ্গনে সুপরিচিত। তিনি সাবেক সদস্য সচিব, কাবাডি উপকমিটি (রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থা), সাবেক প্রতিনিধি প্রতিভাস ক্লাব এবং বর্তমানে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের কাউন্সিলর। এছাড়া তিনি একজন সাবেক ফুটবলার।

অন্যদিকে, এন কে এম মুন্না তালুকদার একজন পরিচিত ক্রিকেটার হলেও স্কুল পর্যায়ে কাবাডি ও হ্যান্ডবল খেলায়ও সক্রিয় ছিলেন। তিনি রাঙামাটির মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব এবং আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের সক্রিয় সদস্য। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত তার ইয়াং টাইগার স্পোর্টিং ক্লাব স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া চর্চা ও প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, নতুন এই এডহক কমিটির মাধ্যমে রাঙ্গামাটি সদরের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন গতি সঞ্চার হবে এবং যুবসমাজ আরও বেশি ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হবে।

মুন্নার স্বপ্ন: রাঙ্গামাটিকে ক্রীড়াঙ্গনের পরিচিত নাম করা

মুন্না তালুকদার চায় রাঙ্গামাটির ক্রীড়াঙ্গন আধুনিক, সংগঠিত ও প্রতিযোগিতামূলক পর্যায়ে উন্নীত হোক। তার লক্ষ্য তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় চিহ্নিত করে তাদের জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরা।

তিনি স্কুল-কলেজ পর্যায়ে নিয়মিত টুর্নামেন্ট, প্রশিক্ষণ ক্যাম্প এবং বিভিন্ন ক্রীড়া ক্লাবকে সক্রিয় করার ওপর গুরুত্ব দেন। মুন্না বিশ্বাস করেন, খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখা সম্ভব। তাই তার স্বপ্নের অংশ প্রতি এলাকায় একটি সক্রিয় ক্রীড়া ক্লাব গড়ে তোলা, যাতে যুবসমাজ সুস্থ ও ইতিবাচক পথে এগিয়ে যেতে পারে।

ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মুন্নার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রাঙ্গামাটির ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।