মাহাদি বিন সুলতান | ০৯:৩১ পিএম, ২০২৬-০৬-১০
রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার ঘিলাছড়িতে তিন পার্বত্য জেলায় সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় লাইভস্টক ফার্মার্স গ্রুপ (এলএফজি) সদস্যদের নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
খামারভিত্তিক উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক প্রাণিপালন পদ্ধতির প্রসার এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
বুধবার (১০ জুন) সকালে ঘিলাছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটি জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবু সাদাত মো. সায়েম।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিন পার্বত্য জেলায় সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. নজরুল ইসলাম।
প্রশিক্ষণে প্রকল্পভুক্ত ২৫ জন খামারি দলের সদস্য অংশগ্রহণ করেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীদের আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা, গৃহভিত্তিক প্রাণিপালন, দেশি ও উন্নত জাতের মুরগি পালন, প্রাণির রোগব্যাধি প্রতিরোধ, টিকাদান ব্যবস্থা, পুষ্টি ব্যবস্থাপনা এবং রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
সঠিক প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে স্থানীয় খামারিরা বাণিজ্যিকভাবে প্রাণিপালনের মাধ্যমে নিজেদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে সক্ষম হবেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সরকারের উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জন্য টেকসই জীবিকায়নের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খামারিদের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং তারা আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রাণিপালনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারবেন। এতে উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি পারিবারিক আয়ও বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো পার্বত্য এলাকাতেও খামারিদের উন্নয়নে নতুন নতুন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
এসব কার্যক্রমের সুফল স্থানীয় জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
নানিয়ারচর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সমাপন চাকমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৪ নম্বর ঘিলাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অমল কান্তি চাকমা এবং তিন পার্বত্য জেলায় সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের ট্রেনিং অফিসার ডা. মো. শরিফুল ইসলাম।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী খামারিরা এ ধরনের কার্যক্রমকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রাখার দাবি জানান।
তারা বলেন, আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার মাধ্যমে প্রাণিপালনকে আরও লাভজনক ও টেকসই করা সম্ভব হবে।
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে নানিয়ারচরসহ পার্বত্য অঞ্চলের খামারিরা অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবেন এবং এলাকার সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন।
অহিদুল ইসলাম অভি : বান্দরবানের রুমা উপজেলার বগালেক সড়কের পেঁপে বাগান এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই পর্যটকের ...বিস্তারিত
সোহেল রানা : রাঙামাটি শহরে অপরাধ দমনে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ১৪টি মামলার পলাতক এক শীর্ষ আসামিসহ মোট আটজনকে গ্র...বিস্তারিত
অহিদুল ইসলাম অভি : বান্দরবানের দুর্গম রুমা উপজেলায় হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। গত ১৫ দিনে হামে আক...বিস্তারিত
অহিদুল ইসলাম অভি : রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট প্রোজ্জল চাকমা আবারও বাংলাদেশের সহকারী অ্যাটর্...বিস্তারিত
নাজিম আল হাসান : রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার ভাসান্যাদমে ভাসান্যাদম গাউছিয়া তৈয়বিয়া তাহেরিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদর...বিস্তারিত
নানিয়ারচর প্রতিনিধি : পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ, বাসযোগ্য ও টেকসই বাংলাদেশ গড়...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited