“দুর্যোগে দল নয়,মানবতার বার্তা” রাঙামাটির আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে বিএনপির নিরবচ্ছিন্ন ত্রাণ কার্যক্রম


আলমগীর মানিক    |    ০২:০৫ এএম, ২০২৬-০৭-১২

“দুর্যোগে দল নয়,মানবতার বার্তা” রাঙামাটির আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে বিএনপির নিরবচ্ছিন্ন ত্রাণ কার্যক্রম

আলমগীর মানিক

টানা বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় বিপর্যস্ত রাঙামাটির দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। দুর্যোগের শুরু থেকেই জেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া বানভাসি মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার, শুকনো খাদ্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে দলটি।

শনিবার (১২ জুলাই) সকাল থেকে শুরু করে রাত পযন্ত রাঙামাটি জেলা বিএনপির তত্ত্বাবধানে শহরের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে রান্না করা খাবার ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। শহীদ আবদুল আলী একাডেমি আশ্রয়কেন্দ্র পুরাতন দুদক ভবন আশ্রয়কেন্দ্র, বিএম ইনস্টিটিউট আশ্রয়কেন্দ্রসহ শহরের একাধিক আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য খাবার প্রস্তুত করে বিতরণ করেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দীপু, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলী বাবর, সাংগঠনিক সম্পাদক স্বাশত চাকমা রিনকু, যুগ্ম সম্পাদক দেবজ্যোতি চাকমা, সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু সাদাত মো: সায়েম, যুব বিষয়ক সম্পাদক নুরনবী, পৌর বিএনপির সভাপতি শফিউল আজম, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বাসেত  অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাকিল, সদর উপজেলা বিএনপির  সাধারণ সম্পাদক রনেল দেওয়ান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জাহাঙ্গীর, জেলা জাসাসের সভাপতি কামাল হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি অলি আহাদ, সাধারণ সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম রনিসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উক্ত ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় নেতৃবৃন্দ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

রাঙামাটি জেলা বিএনপির নেতারা বলেন, "দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।"

তারা আরও বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় শুধু রাজনৈতিক দল নয়, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকেও এগিয়ে আসতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করা সম্ভব।

জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র ও দুর্গত এলাকায় রান্না করা খাবার, শুকনো খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে।