নিজস্ব প্রতিবেদক | ০২:২১ পিএম, ২০২১-০৩-৩১
প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও রাঙামাটিতে চাষিরা চাষ করেছে মৌসুমি ফল তরমুজ। কাপ্তাই হ্রদের জলে ভাসা জমিতে এই ফলন ভাল হওয়ায় হাসি ফুটেছে তরমুজ চাষিদের মুখে। এখন টসটসে, মিষ্টি ও রসালো তরমুজে সয়লাব রাঙামাটির হাট-বাজারগুলো। রাঙামাটির উৎপাদিত তরমুজ স্থানীয় বাজার ছাড়িয়ে বাজারজাত হচ্ছে জেলা বাহিরেরও। স্থানীয় চাষিরা জানান, চলতি মৌসুমে রাঙামাটির প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় তরমুজের প্রচুর উৎপাদন হয়েছে। ফলেছে বাম্পার ফলনও। তরমুজ আবাদে ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে অনেক চাষির।
পাহাড়ে তরমুজের অভাবনীয় উৎপাদনে চাষিরাও বেশ লাভবান হয়েছে। জেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় এ মৌসুমেও তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে বড় ও মাঝারি আকারের প্রতি পিছ তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৪০০ টাকা এবং ছোট আকারের তরমুজ ১৮০-২২০ টাকায়। একথায় ১০০ টাকার নিচে কোন তরমুজ নেই।
শহরের মগবান ইউনিয়নের তারিঙ্গা পাড়ায় বেশ কয়েকটি বিচ্ছিন্ন টিলা ছেয়ে আছে তরমুজের আবাদি ফসলে। বর্তমানে এই ফসলের ফল মোটা তাজা করতে সার কীটনাশক ও যাবতীয় কৃষি উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে, গত বছরের চেয়ে এবার অনেকটা তরমুজ ভাল উৎপাদন হয়েছে। গত বছরের ন্যায় এবছর দাম বেশী পাওয়া গেছে। এবার বৃষ্টি দেরীতে হওয়ায় ফলন ভাল হয়েছে।
তরমুজ চাষি আব্দুর রহিম বলেন, তরমুজের ক্ষেত করতে দুই-তিন লাখ টাকা খরচ করলে পাঁচ-ছয় লাখ টাকা পাওয়া যায়, আমরা এই জমিতে বছরের চার-পাঁচ মাস চাষ করতে পারি কারণ এই জমি পানিতে ডুবে থাকে। পানি থেকে ভেসে উঠলে আমরা তরমুজের বীজ রোপন করি, এবার আমাদের চাষের ফলনও ভালো হয়েছে, তরমুজ বিক্রি করে লাভবান হয়েছি।
এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষ্ণ প্রসাদ মল্লিক এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমাদের পরিসংখ্যান মতে রাঙামাটি জেলায় এবছর ২শ’ ৫০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে, খুব সাম্প্রতিক সময়ে এর ফলন পাবে কৃষক ভাইয়েরা। এর মধ্যে আমাদের বেশিরভাগ তরমৃজ হয় লংগদৃ উপজেলায়। তবে গত কয়েক বছর ধরে সদর উপজেলায়ও তরমুজের আবাদের প্রবণতা খুবই বাড়ছে।
এবছরের আমাদের তথ্য মতে শুধু মাত্র রাঙামাটি জেলা সদরের ৪০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ করা হয়েছে। এ ধরণের আবাদ হতে থাকলে আমরা আশা করছি আমাদের কৃষকরা উপকৃত হবে এবং ফলন ও ভালো হবে বলে আশা করা যায়।
তিনি আরো বলেন,আমাদের কৃষক ভাইদের প্রশিক্ষণ এবং মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন সহায়তাসহ সকল প্রকারের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে আমাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা। প্রত্যন্ত দুর্গম উপজেলা বাঘাইছড়ি,লংগদু,নানিয়ারচর,বরকল ও জুরাছড়ি থেকে এসব তরমুজ জেলা শহর হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে যায়।
উল্লেক্ষ্য,বছরের এই সময়টাতে হ্রদের পানি কমতে থাকায় দ্বীপগুলো পানির উপরে উঠে আসে আর সেই সময়টাই তরমুজ চাষ করা উপযোগী সময়। এবছর ফসলের উৎপাদিত ফলন ভালো হওয়ায় বিক্রি করে দাম ও অনেকটা ভাল পওয়া গেছে বলে জানান স্থানীয় তরমুজ চাষিরা।
মেহেদী হাসান : রাঙামাটিতে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পথসভা করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। বুধবার (৪ নভেম্বর) à¦...বিস্তারিত
আজগর আলী খান : রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ি জনপদে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার, চিকিৎসাসেবা, ধর্মীয় প...বিস্তারিত
অহিদুল ইসলাম অভি : জাতীয় যুবদিবস ২০২৬ উপলক্ষে রাঙামাটিতে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১ ন...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে বার্ষিক দানোত্তম শুভ কঠিন চীà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাঙামাটির বনরুপা বিএম-২ মার্কেটে নতুন মোবাইল ফোনের দোকান ‘অল ইন ওয়ান বাই অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ’-এর...বিস্তারিত
অহিদুল ইসলাম অভি : সিসাদূষণের উৎস, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে চট্টগ্রামে মানববন্ধ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited