শহিদুল ইসলাম হৃদয় | ১২:২৪ পিএম, ২০২১-০১-২৯
মৌসুমী ফল আনারস চাষে বিখ্যাত রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলা। পাহাড়ি এই জনপথে যত দূর চোখ যায় পাহাড়ি জমিতে আনারস চাষের দেখা মিলে প্রতিনিয়ত। বছরের এই সময়টাতে ফলের আবাদ করে এখানকার আনারস চাষীরা। চার থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে সেই আবাদি ফসলের ফল বাজারজাতকরণের উপযোগী হয়ে উঠে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় আনারস চাষীরা।
আনারস চাষীরা বলেন, আমাদের নানিয়ারচর উপজেলা আনারসের বাগানের জন্য অনেক বিখ্যাত এবং এই আনারস চাষ না হলে আমাদের নানিয়ারচরের মানুষ চলতে পারতো না, এই আনারসের চাষ করে এখানকার অনেক চাষী সাবলম্বী হয়েছে এবং এই আনারসের বাজারজাত করে আমরা অনেক লাভবান হয়েছি।
তারা আরো বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে যদি কোনো ক্ষুদ্র ঋণ বা সার কীটনাশক যদি দেয়া হতো তাহলে আমরা অনেক উপকৃত হতাম এবং এর থেকে আরো বেশি আনারসের ফলন বাড়াতে পারতাম।
স্থানীয় ইউপি সদস্য এবং মৌসুমী ফল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নুর ইসলাম, আমাদের এখানে সব থেকে ব্যয়বহুল হলো সার কৃষি বিভাগ বা স্থানীয় প্রশাসন যদি এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয় যেমন যারা গরিব কৃষক আছে তাদেরকে ক্ষুদ্র ঋণ এবং সরকারি ন্যায্য মূল্যের সার যাতে কৃষকদের দোড়গোড়ায় পৌঁছে এটাই আমাদের মূল দাবি।
এবিষয়ে নানিয়ারচর উপজেলা কৃষি অফিসার ইমতিয়াজ আলম বলেন, নানিয়ারচর উপজেলা কাপ্তাই লেক বিশিষ্ট একটি পাহাড়ি উপত্যকা। এই উপজেলার অধিকাংশ মানুষ কৃষিজীবী বা কৃষির উপর নির্ভর করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। এখানে চাষীদের মধ্যে একটি বড় অংশ হলো আনারস চাষী। নানিয়ারচরে প্রায় ১২ শ হেক্টর জমিতে আনারস চাষের আবাদ করা হয়ে থাকে। এখানে প্রায় ২ হাজারের মত আনারস চাষী আছেন। এখানে আনারসের প্রধান সমস্যা হলো আনারসের পরিবহণ, বাজারজাতকরণ ও পানির সল্পতা এটা পাহাড়ি অঞ্চলের একটি কমন সমস্যা।
আমরা কৃষি বিভাগ থেকে আনারস চাষীদের বিভিন্ন ধরণের পরামর্শ দিয়ে থাকি বিশেষ করে আনারস চাষের ক্ষেত্রে গভীর ভাবে জমি চাষ দিতে হয়। দেখা যায়যে আমরা পাহাড়ের ঢালে যদি গভীর ভাবে জমি চাষ দেয় এটা ভূমি ধ্বসকে তরান্বিত করে, পাশাপাশি আমরা কৃষি বিভাগ থেকে আনারসের চারা রোপণের একটি গতানুগতিক পদ্ধতি থেকে সরে এসে কিভাবে কন্ট্রোল পদ্ধতিতে আড়াআড়ি ভাবে আনারসের চারা রোপণের জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকি। আড়াআড়ি ভাবে চারা রোপণ করলে দেখা যায়যে বহুল বৃষ্টি হলে ঐটা ভূমি ধ্বসকে আটকিয়ে দেয়। সে জন্য আমরা কৃষকদের পরামর্শ দেয় তারা যেন সোজাসুজি আনারস চারা না লাগিয়ে আড়াআড়ি ভাবে আনারস চারা গুলো রোপণ করে।
তাছাড়া আমাদের ব্লক পর্যায়ে যারা কৃষি অফিসার আছেন তারা আনারস চাষীদের বিভিন্ন ভাবে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এবং আমাদের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে যত ধরণের সাহয্য-সহযোগিতা আসে আমরা চেষ্টা করি যে আনারস চাষীদের সেই সুযোগ টুকু দেয়ার জন্য।
মেহেদী হাসান : রাঙামাটিতে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পথসভা করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। বুধবার (৪ নভেম্বর) à¦...বিস্তারিত
আজগর আলী খান : রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ি জনপদে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার, চিকিৎসাসেবা, ধর্মীয় প...বিস্তারিত
অহিদুল ইসলাম অভি : জাতীয় যুবদিবস ২০২৬ উপলক্ষে রাঙামাটিতে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১ ন...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে বার্ষিক দানোত্তম শুভ কঠিন চীà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাঙামাটির বনরুপা বিএম-২ মার্কেটে নতুন মোবাইল ফোনের দোকান ‘অল ইন ওয়ান বাই অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ’-এর...বিস্তারিত
অহিদুল ইসলাম অভি : সিসাদূষণের উৎস, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে চট্টগ্রামে মানববন্ধ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited