কিশোর গ্যাং ও সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাঙামাটিতে সাঁড়াশি অভিযান চলছে, আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান এসপি'র


আলমগীর মানিক    |    ০৯:২৮ পিএম, ২০২৬-০৯-২৭

কিশোর গ্যাং ও সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাঙামাটিতে সাঁড়াশি অভিযান চলছে, আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান এসপি'র

কিশোর গ্যাং ও সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ। অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে; এমন সন্দেহে বেশ কয়েকজন কিশোর-তরুণকে আটক করা হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা উৎকণ্ঠা দেখা দিলেও পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাঙামাটির পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুর রকিব।

পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বন্ধে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে কাউকে আটক করা হলেও তার পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে।

যাচাইয়ে কেউ নিরীহ বা অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন; এমন প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব বলেন, জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা এবং সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করছে।

উচ্ছৃঙ্খল কিশোর গ্যাংসহ সামাজিক অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, অভিযানের সময় কেউ আটক হলে তার বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা হবে।

নিরীহ কোনো ব্যক্তি যাতে হয়রানি বা অন্যায়ভাবে আইনি পদক্ষেপের শিকার না হন, সে বিষয়টি পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। যাচাই-বাছাই শেষে অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়া গেলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, “রাঙামাটিবাসীর আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। পুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে। নিরীহ কোনো মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।”

এদিকে কিশোর গ্যাং ও সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের এ ধরনের অভিযানকে ঘিরে অভিভাবকদের মধ্যেও নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নিরীহ নাগরিকদের সুরক্ষা ও হয়রানিমুক্ত রাখার বিষয়টিও সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ সুপার রাঙামাটিবাসীকে শান্ত থাকার পাশাপাশি পুলিশের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।