রাজস্থলীতে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রচনা প্রতিযোগিতা,কবিতা আবৃত্তি ও আলোচনা সভা


আলমগীর মানিক    |    ১১:১৩ পিএম, ২০২৬-১১-০৭

রাজস্থলীতে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রচনা প্রতিযোগিতা,কবিতা আবৃত্তি ও আলোচনা সভা

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রচনা প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুইসিংহ্লা মারমা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে চরম অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এমন এক সংকটময় প্রেক্ষাপটে ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্থান করে নেয়। এদিন তৎকালীন সেনাপ্রধান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেন।

বক্তারা আরও বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ। তাই নতুন প্রজন্মকে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের পটভূমি, তাৎপর্য ও দেশের প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কে জানাতে হবে। ইতিহাস চর্চার মধ্য দিয়ে শিশুদের মধ্যে দেশপ্রেম, জাতীয় ঐক্য ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে হবে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস ও দেশপ্রেমের চেতনায় গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।

অনুষ্ঠানে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ে সম্প্রতি যোগদান করা সিনিয়র শিক্ষক অরূপ কুমার মুৎসুদ্দী। এ সময় সহকারী শিক্ষক রুম্পা তঞ্চঙ্গ্যা, মং প্রু তঞ্চঙ্গ্যা, মোহাম্মদ সেলিম, শুভ্রতা বড়ুয়া ও সুইনু মারমা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সাজসজ্জা ও সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বিদ্যালয়ের সহায়ক মো. আবু বক্কর সিদ্দিকী।

এর আগে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে শিক্ষার্থীরা রচনা প্রতিযোগিতা ও কবিতা আবৃত্তিতে অংশ নেয়। আলোচনা সভা শেষে চা-চক্রের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।