নুরুল কবির | ১২:২৮ পিএম, ২০২১-০৪-১৪
বান্দরবান শহরের নীলাচল পর্যটন কেন্দ্রে পানি সরবরাহ প্রকল্প সাত বছরেও আলোর মুখ দেখেনি। প্রকল্পেটির টেন্ডার হয় (২০১৪-১৫)।
কিন্তু এর পর তিন দফায় পাচঁ বছর সময় বাড়ানো হলেও কাজ শেষ হয়নি। সর্বশেষ কাজ শেষ করতে ১কোটি ৪৭লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
যার কারণে ২কোটি ৩৯লাখ টাকার প্রকল্প এখন ৩কোটি ৮৬লাখ টাকায় গিয়ে দাড়িয়েছে। বান্দরবান নীলাচল পর্যটন স্পটে বেড়াতে যাওয়া পর্যটক ও আশপাশের মানুষের পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ২০১৪ সনে এই প্রকল্পটি হাতে নিয়েছিল বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
ওই বছরের ৩১অক্টোবর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী পানি সরবরাহের এই প্রকল্পটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে ছিলেন। কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতির কারণে এই পানি সরবরাহ কেন্দ্র থেকে মানুষ কোন প্রকার উপকৃত হয়নি।
এতে করে সরকারের বিপুল টাকা পানিতে ভেসে যাওয়ার পথে। বর্তমানে প্রকল্পটি পরিত্যাক্তের ন্যায় পড়ে আছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে মেসার্স রতন সেন তঞ্চগ্যা নামীয় লাইসেন্সে এই প্রকল্পের কাজ পেয়ে ছিলেন ঠিকাদার মাহাবুবুর রহমান। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকা তৎকালীন বির্তকিত নিবার্হী প্রকৌশলী মো: সোহারাব হোসেন ও জনস্বাস্থ্য বিভাগের সদর উপজেলা কর্মকর্তা মনজেল হোসেন এর খামখেয়ালীপনার কারণে প্রকল্পের কাজ চলছে কচ্ছপগতিতে।
কাজের ধীরগতি নিয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার মাহাবুবুর রহমান জানান, নীলাচলের নিচের ঝিরিতে বাধঁ নিমার্ণ করে পানি পরিশোধানাগার এবং জলাধার সংরক্ষণ করে পানি সরবরাহ করার উদ্যোগ ছিল জনস্বাস্থ্য বিভাগের।
কিন্তু যে বরাদ্দ ছিল তা দিয়ে সম্পূর্ণ কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। তাই আপাতত কাজ বন্ধ আছে। নতুনভাবে বরাদ্দ পেলে পুনরায় কাজ শুরু হবে। এদিকে নীলাচল এলাকার বাসিন্দা কল্পনা তঞ্চঙ্গ্যা জানান- পানি প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল দেখেছি।
কিন্তু ওই ট্যাংকি থেকে আমরা একবারও পানি খেতে পারিনি। কাজ শেষ হয়েছে কিনা তাও জানা নেই তার। কাজ শেষ করতে না পারার বিষয়ে
বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী খোরশেদ আলম প্রধান জানান- প্রকল্পটির জন্য আমরা ৩কোটি ৮৬লক্ষ টাকা বরাদ্দ চেয়ে ছিলাম। বিপরীতে পেয়েছি ২কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা। বাকী টাকা বরাদ্দ পেলে দ্রুত কাজ শেষ করা যাবে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নীলাচল পর্যটন কেন্দ্রের কাছে পানি সরবরাহের লক্ষ্যে হাউস স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে পানির হাউস, ঝিরির কাজ শেষ হয়েছে।
বান্দরবান সদর উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকতার্ সহকারী প্রকৌশলী মনজেল হোসেন জানান, প্রায় ৭৫ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু বরাদ্দ না থাকায় কাজ এগিয়ে নেওয়া যাচ্ছে না। প্রকল্পে এখনো পানির পাম্প মেসিন, ইলেক্ট্রনিক্স কাজ, পাইপ লাইনসহ কিছু কাজ বাকী আছে।
আলমগীর মানিক : রাঙামাটির প্রত্যন্ত অঞ্চলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে মেধাবৃত্তি কার্যক্রম শুরু করেছে Edu...বিস্তারিত
অহিদুল ইসলাম অভি : রাঙামাটিতে চাঁদার দাবি পূরণ না হওয়ায় একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন পেঁপে বাগানের প্রায় ৮০০টি ফলন্ত গা...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আলমগীর মানিক পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির ...বিস্তারিত
অহিদুল ইসলাম অভি : বান্দরবানের রুমা উপজেলার বগালেক সড়কের পেঁপে বাগান এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই পর্যটকের ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার মারিশ্যা সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, সাত রাউন্ড ...বিস্তারিত
সোহেল রানা : রাঙামাটি শহরে অপরাধ দমনে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ১৪টি মামলার পলাতক এক শীর্ষ আসামিসহ মোট আটজনকে গ্র...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited