নুরুল কবির | ০৪:৪৫ পিএম, ২০২১-০৬-১৯
বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে নওমুসলিম এক মসজিদের ইমামকে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের তুলা ঝিড়ি পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর সেখানে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা গিয়েছে।
এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে পড়েছে। তার নাম মোহাম্মদ ওমর ফারুক (৪৫)। আগের নাম ছিল বেরণ চন্দ্র ত্রিপুরা। নিহত মৃত তয়ারাম ত্রিপুরার ছেলে। ত্রিপুরা সম্প্রদায় থেকে কয়েক বছর আগে সে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করে ওই এলাকায় একটি অস্থায়ী মসজিদের ইমামতি দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন,বেশ কিছুদিন থেকে সন্ত্রাসীরা ওই নওমুসলিম মসজিদের ইমামকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। ঘটনাস্থল তুলাঝিড়ি পাড়ায় গত কয়েক বছর ধরে নও মুসলিম এর কয়েকটি পরিবার সহ বেশ কিছু পরিবার বসবাস করে আসছিল। তারা সেখানে টিনের ছাউনির কাঁচা ঘরের একটি অস্থায়ী মসজিদ নির্মাণ করে। সেখানে নওমুসলিম মোহাম্মদ ওমর ফারুক মসজিদের ইমামতি করে আসছিলেন।
শুক্রবার রাতে ৪/৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল ঘরবাড়ি ঘেরাও করে ওমর ফারুককে ঘর থেকে ডেকে এনে মসজিদের সামনে গুলি করে হত্যা করে। তবে সন্ত্রাসী দলটি কারা ছিল এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন কিছু জানা যায়নি।
বান্দরবানে পুলিশ সুপার জেরিন আক্তার জানিয়েছেন সন্ত্রাসীরা রাতে তাকে ঘর থেকে ডেকে মসজিদের সামনে গুলি করে হত্যা করে। ঘটনার পর সেখানে রোয়াংছড়ি ও পার্শ্ববর্তী লংলাই সেনা ক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়েছে। এছাড়া রোয়াংছড়ি থানা থেকে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত জন্য সদর হাসপাতালে মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।
এদিকে রোয়াংছড়িতে নও মুসলিম এক মসজিদের ইমামকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে পাবত্য চট্রগ্রাম নাগরিক পরিষদ। শনিবার সকালে মুক্তমঞ্চের সামনে এক ঘন্টা ব্যাপি মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বান্দরবান পাবত্য চট্রগ্রাম নাগরিক পরিষদ সভাপতি কাজি মজিবুর রহমান, সাধারন সম্পাদক নাছিরুল আলম, সহ-সভাপতি আবুল কালাম ও মিজানুর রহমান প্রমুখ্য, সভাপতিত্ব করেন বান্দরবান পাবত্য চট্রগ্রাম নাগরিক পরিষদ নেতা ক্যাপ্টন তারু মিয়া। পরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে পাবত্য চট্রগ্রাম নাগরিক পরিষদ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা রোয়াংছড়িতে নওমুসলিম ওমর ফারুককে হত্যার ঘটনায় পাহাড়ের সন্ত্রাসী আঞ্চালিক সংগঠন জেএসএস সন্তু লারমার বাহিনীকে দায়ী করেন। সন্তু লারমা পাহাড়ে সন্ত্রাসী রাজত্ব কায়েম করার লক্ষে একের পর এক হত্যা কান্ড ঘটিয়ে যাচ্ছে । এছাড়াও পাহাড়ে চাঁদাবাজী গুম খুনের সাথে সন্তু লারমা জড়িত বলে অভিযোগ করেন বক্তারা । তাই অবিলম্বে সন্তু লারমাকে গ্রেফতারের দাবী জানান তারা।
মেহেদী হাসান : পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং পাহাড়ের সব সমà...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে একদিনে সফলভাবে সাতটি ছানি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দৃষ্à¦...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটিতে দুর্যোগে উপড়ে পড়া জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনের ছাতিম গাছটির স্থানে বাদাম গাছেà...বিস্তারিত
ওমর ফারুক সুমন : রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্à...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টনে আওয়ামী লীগের লাঠি-বৈঠার হামলা ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রাঙ...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটি শহরের ডিসি অফিস এলাকার বাসা থেকে আশিকুল ইসলাম (১৭) নামে এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে। গত ২৬ à...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited