নানিয়ারচরে কৃষি অফিসের প্রোগ্রামে জাতিগত বৈষম্যের অভিযোগ !


নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ০৪:২৮ এএম, ২০২৫-০৫-১৭

নানিয়ারচরে কৃষি অফিসের প্রোগ্রামে জাতিগত বৈষম্যের অভিযোগ !

রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে "২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)" প্রকল্পের আওতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ "পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস" অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ মে) উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে আয়োজিত এ কংগ্রেসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ ও অর্থ উইংয়ের পরিচালক মো. হাবিবউল্লাহ।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ৭০ জন কৃষক ও কৃষানীর প্রত্যেকেই চাকমা সম্প্রদায়ের হওয়ায় স্থানীয় বাঙালি জনগোষ্ঠীর কেউ না থাকায় উপজেলা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী ক্ষোভ প্রকাশ করে অনুষ্ঠান শুরুর আগেই স্থান ত্যাগ করে।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. নুরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ফারুক হাওলাদার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমির মো. ইসমাইল হোসেন সিরাজী এবং সাধারণ সম্পাদক মো. কাইয়ুম ইসলাম এ ঘটনার প্রতিবাদে গ্রোগ্রাম ত্যাগ করে অনুষ্ঠানের স্থান ত্যাগ করেন। 

এবিষয়ে নানিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ নুরুজ্জামান বলেন, কৃষি বিভাগের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি কৃষকদের উন্নয়নে কাজ করবে; কিন্তু কৃষি বিভাগের এই তালিকায় একটি বাঙালি পরিবারের সদস্যদেরও নাম নেই। আমার জানামতে নানিয়ারচরে কয়েক হাজার বাঙালি কৃষক রয়েছে। তাদের কে উন্নত কৃষি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা সম্ভব। ৫ই আগষ্টের পরে বাংলাদেশে আজো বৈষম্য বিদ্যমান বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদ বৈষম্যের বিষয়টি এক পর্যায়ে স্বীকার করে জানান,আমাদের সব প্রোগ্রামে বাঙালি পাহাড়ি সকলেই থাকে, আজকের ঘটনায় যারা জড়িত যারা এর লিস্ট গুলো করেছে তাদের সকলকে আমি শোকজ করেছি।