বরকলে সরকারি রাস্তার শতাধিক গাছ উধাও: অভিযোগের তীর সাবেক আ;লীগ নেতার বিরুদ্ধে


নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ০১:৪০ পিএম, ২০২৫-১১-২৩

বরকলে সরকারি রাস্তার শতাধিক গাছ উধাও: অভিযোগের তীর সাবেক আ;লীগ নেতার বিরুদ্ধে

রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলার দক্ষিণ এরাবুনিয়া–ভূষণছড়া সড়কের পাশ থেকে সরকারি বনায়নের শতাধিক গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব মুন্সীর বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘ দিন ধরে তাঁর প্রভাব খাটিয়েই সরকারি এই গাছ কাটা হয়েছে।সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, একসময় দু’ধারে সবুজে ঘেরা সড়কটি এখন প্রায় বৃক্ষশূন্য। বিভিন্ন স্থানে গাছের কাটা গুঁড়ি পড়ে আছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিএনপি সরকারের সময় সামাজিক বনায়ন প্রকল্পের আওতায় সেগুন, নিম, গামারি ও ফলদ–বনজ মিলিয়ে অসংখ্য গাছ লাগানো হয়েছিল। পরে আওয়ামী লীগ সরকারের গত মেয়াদে মোতালেব মুন্সী দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ধাপে ধাপে এসব গাছ কেটে বিক্রি করা হয়। ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ এরাবুনিয়ার বাসিন্দা মোতালেব মুন্সী (পিতা: মৃত হাকিম মুন্সী) সরকারি সম্পদ বিনষ্টে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করেছেন বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।

তবে অভিযুক্ত পরিবারটির কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি। 

স্থানীয়রা জানান, “রাস্তার দুই পাশের গাছগুলো একসময় আমাদের এলাকার সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষার বড় ভরসা ছিল। এখন এগুলোর বেশির ভাগই কেটে ফেলেছে। বাকি গাছগুলো নিয়েও নতুন করে পাঁয়তারা চলছে এটা দুঃখজনক। 

এত বড় ধরনের সরকারি সম্পদ নষ্ট হলেও স্থানীয় প্রশাসন ও বন বিভাগের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বাসিন্দারা। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক বলেন, দিনের পর দিন গাছ কাটা হচ্ছে। কিন্তু ব্যবস্থা নেওয়া তো দূরের কথা এ নিয়ে কেউ কোনোভাবে কথা বলতেও সাহস পায় না। 

এদিকে ঘটনায় অভিযুক্তদের স্বজন কর্তৃক পাঠানো এক বার্তায় জানিয়েছেন, গাছের ঢালগুলো কাটা হয়েছে সোলার প্যানেলে রোদ না পরার কারনে এবং ঘরের উপর ঝুঁকিপূর্ন থাকার কারনে।ওখানে কোন গাছ কাটা হয়নি। এছাড়া আব্দুল মোতালেব কখনো বরকল উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করে নাই। ২০১৮সালে তাকে সব কমিটি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে,কারন সে ততকালীন আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে দূর্নীতি মামলায় সাক্ষী দেন এর পর থেকে তার স্বপরিবারের বিরুদ্ধে ১৩ টি মিথ্যা মামলা দেন এবং যুবলীগ দ্বারা তাকে মারধর করেন সে দীর্ঘদিন চট্টগ্রাম মেডিকেলে অসুস্থ ছিলেন, বরকল উপজেলায় বিগত আওয়ামী সরকার থাকাকালীন সবথেকে নির্যাতিত ফ্যামিলি,তার বড় ছেলেকে মারধর করে জেলে দিয়ে তার স্কুলের দপ্তরী চাকরিটাও নিয়ে নেয় সৈরাচারের বরকল উপজেলা বাহিনি। বর্তমানে তারা আবার বিএনপির ছত্রছায়ায় তার উপরে বিভিন্ন সময় মিথ্যা সমালোচনা করে যাচ্ছে।

এদিকে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা দ্রুত তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং সরকারি বনজ সম্পদ রক্ষায় কঠোর নজরদারির দাবি তুলেছে।