ধর্মগোধা ধর্মকুয়া চন্দ্রবংশ বৌদ্ধ বিহার ও ভাবনা কেন্দ্রে নতুন উপদেষ্টা ও পরিচালনা কমিটি গঠন


নাজিম আল হাসান    |    ০৬:৩৭ পিএম, ২০২৬-০৪-০৩

ধর্মগোধা ধর্মকুয়া চন্দ্রবংশ বৌদ্ধ বিহার ও ভাবনা কেন্দ্রে নতুন উপদেষ্টা ও পরিচালনা কমিটি গঠন

ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ধর্মগোধা ধর্মকুয়া চন্দ্রবংশ বৌদ্ধ বিহার ও ভাবনা কেন্দ্রের নতুন উপদেষ্টা ও পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শুক্রবার ০৩ এপ্রিল ২০২৬ দুপুর ১টায় রাঙ্গামাটি শহরের আসামবস্তী এলাকায় অবস্থিত রাঙ্গামাটি বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শিক্ষক পংকজ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে পূর্বের উপদেষ্টা ও পরিচালনা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নির্মল বড়ুয়া মিলনকে প্রধান উপদেষ্টা করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন জুঁই চাকমা, ত্রিদিব বড়ুয়া টিপু, ধীমান বড়ুয়া এবং ডা.পারিজাত কুসুম বড়ুয়া।

এছাড়াও বিহার ও ভাবনা কেন্দ্রের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। এতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শিক্ষক পংকজ কুসুম বড়ুয়া এবং সহ-সভাপতি হয়েছেন সুজিত বড়ুয়া। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অপু বড়ুয়া এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অনুচিং মারমা দায়িত্ব পালন করবেন।

কমিটির অন্যান্য দায়িত্বশীলরা হলেন অর্থ সম্পাদক ডা. প্রকাশ চৌধুরী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সনেট চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. পুতুল কান্তি বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শচীন্দ্র লাল বড়ুয়া, দপ্তর সম্পাদক অধ্যাপক রাজু বড়ুয়া, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আবু বড়ুয়া এবং নারী বিষয়ক সম্পাদক শেফালী তনঞ্চঙ্গ্যা।

এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সবুজি বড়ুয়া, মঙ্গল মারমা, প্রনজিৎ বড়ুয়া ও শিবু রঞ্জন বড়ুয়া।

গঠিত উপদেষ্টা ও পরিচালনা কমিটি আগামী ৫ বছর মেয়াদে বিহার ও ভাবনা কেন্দ্রের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

বিহারটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকবেন রাঙ্গুনিয়া পৌর সদর কেন্দ্রীয় ইছাখালী অশোক আরাম বুদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ সুমঙ্গল থেরো। পাশাপাশি ধর্মগোধা ধর্মকুয়া চন্দ্রবংশ বৌদ্ধ বিহার ও ভাবনা কেন্দ্রের সার্বিক সহযোগিতায় থাকবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন।

সভায় বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে ধর্মীয় চর্চা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।