আন্তর্জাতিক টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই মারমার পরিবার পেল নতুন ঘর


আজগর আলী খান    |    ০৯:৩২ পিএম, ২০২৬-০৬-০৪

আন্তর্জাতিক টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই মারমার পরিবার পেল নতুন ঘর

৪ জুন: দেশের অন্যতম সেরা টেবিল টেনিস খেলোয়াড় এবং ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে পদকজয়ী কৃতি ক্রীড়াবিদ খই খই সাই মারমার পরিবারের জন্য নির্মিত সরকারি উপহারের আধা-পাকা ঘর আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রাঙামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের চুশাক পাড়ায় নির্মিত এই ঘরটি রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাস্তবায়ন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর পক্ষে রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম খই খই সাই মারমার পরিবারের সদস্যদের হাতে ঘরের চাবি ও দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের হয়ে সাফল্যের সঙ্গে প্রতিনিধিত্ব করে আসলেও খই খই সাই মারমার পরিবার একটি জরাজীর্ণ ও বাঁশের বেড়া দিয়ে তৈরি অনিরাপদ ঘরে বসবাস করছিল।

বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ পেলে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নজরে আসে। পরবর্তীতে কৃতি এই ক্রীড়াবিদের অসামান্য অবদান ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ রাঙামাটি জেলা প্রশাসন এবং রাজস্থলী উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে তাঁর পরিবারের জন্য একটি টেকসই আধা-পাকা ঘর নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এর আগে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী সরেজমিনে খই খই সাই মারমার বাড়ির স্থান পরিদর্শন করেন এবং দ্রুত একটি মানসম্মত ঘর নির্মাণের আশ্বাস প্রদান করেন।

একই সঙ্গে নির্মাণকাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে (পিআইও) প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। জেলা প্রশাসনের তদারকি ও উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ঘর নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়।

ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই খাদ্য বিভাগের ওসিএলএসডি পলাশ, স্থানীয় ইউপি সদস্য ক্যাসাচিং মারমা, ইউপি সদস্য নুরুল আলমসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

এ সময় উপস্থিত বক্তারা বলেন, খই খই সাই মারমা শুধু রাঙামাটির নয়, সমগ্র দেশের গর্ব। তাঁর মতো একজন আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সরকার যে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

স্থানীয়রা জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এই ঘর শুধু একটি বসতঘর নয়, বরং একজন কৃতি সন্তানের প্রতি রাষ্ট্রের সম্মান ও স্বীকৃতির প্রতীক।

তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও খই খই সাই মারমা দেশের জন্য আরও সাফল্য বয়ে আনবেন এবং নতুন প্রজন্ম তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে খেলাধুলায় এগিয়ে আসবে।

সরকারি উপহারের এই নতুন ঘর পেয়ে খই খই সাই মারমার পরিবারের সদস্যরা জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের কষ্ট ও অনিশ্চ