নানিয়ারচরে ৪০ ব্যবসায়ীর মাঝে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বিতরণ


মাহাদি বিন সুলতান    |    ০৪:৩৯ পিএম, ২০২৬-০৬-১৪

নানিয়ারচরে ৪০ ব্যবসায়ীর মাঝে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বিতরণ

রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় বাজার এলাকার অগ্নি নিরাপত্তা জোরদার এবং সম্ভাব্য অগ্নিকাণ্ডজনিত ক্ষয়ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যে ৪০ জন ব্যবসায়ীর মাঝে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র (ফায়ার এক্সটিংগুইশার) বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

রোববার (১৪ জুন) দুপুর ১২টায় নানিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীদের হাতে এসব অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র তুলে দেন নানিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঞ্জুরুল মোর্শেদ।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ইউএনও মঞ্জুরুল মোর্শেদের উদ্যোগে এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর অর্থায়নে নানিয়ারচর বাজার ও ইসলাম বাজারের মোট ৪০ জন ব্যবসায়ীর মাঝে এই অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বিতরণ করা হয়।

বাজার এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি হ্রাস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহের নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে অগ্নি সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মঞ্জুরুল মোর্শেদ বলেন, বাজার এলাকায় ছোট একটি অসতর্কতা থেকেও বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।

তাই আগুন লাগার প্রাথমিক পর্যায়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি ব্যবসায়ীদের এসব যন্ত্র যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহারের বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নানিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক হাওলাদার, উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুর রহমান তালুকদার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. হারুন মিয়া, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সমাপন চাকমা, নানিয়ারচর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি উত্তম দাশ, সাধারণ সম্পাদক মো. সানাউল্লাহসহ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাজার এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি সবসময়ই থাকে।

অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বিতরণের ফলে জরুরি মুহূর্তে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সহজ হবে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে।

ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।