নুরুল কবির | ০৫:৩৮ পিএম, ২০২০-১২-১৪
বান্দরবানের থানচিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের বাস্তবায়নে উপজেলা পরিষদ গেজেটেড কোয়াটার নির্মানে ব্যবহার করা হচ্ছে পাহাড়ের ঝিরি-ঝর্ণা থেকে উত্তোলন করা অপরিপক্ক পাথর। দরপত্র অনুযায়ী মানসম্মত উন্নত মানের বাইরের পাথর ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও মানা তা মানা হচ্ছে না। নির্মাণ কাজে ব্যয় কমাতে সংশ্লিষ্ট অফিস ম্যানেজ করে পাহাড়ের ঝিরি-ঝর্ণা থেকে অবৈধ পন্থায় উত্তোলন করা অপরিপক্ক পাথর ব্যবহার করছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, থানচি উপজেলা পরিষদের গেজেটেড কোয়াটার চার তলা ভবনের দ্বিতীয় তলার ছাদ ঢালাইয়ের জন্য রড বেঁধে প্রস্তুত করা হচ্ছে। ভবন নির্মাণ কাজের জন্য মজুত করে রাখা হয়েছে স্থানীয়ভাবে পাহাড়ের ঝিরি-ঝর্ণা থেকে অবৈধভাবে উত্তোলন করা অপরিপক্ক ময়লা পাথর। পাশেই আরেকটি স্তুুপে মওজুদ রয়েছে বাহিরের আমদানী করা মানসম্মত এলসি পাথর। এছাড়াও মানসম্মত লোহার বদলে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের অটো গ্রেডের কমদামি রড।
স্থানীয় সরকার বিভাগ জানায়, জেলার থানচি উপজেলায় চার তলা বিশিষ্ট টুইন কোয়াটার নির্মাণ কাজের টেন্ডার আহ্বান করা হয়। টেন্ডারে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ‘এমএইচ চৌধুরী ভিলা’ ৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে চলতি বছরের মার্চ মাসে উন্নয়ন কাজটি বাস্তবায়নের কার্যাদেশ পায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, থানচি উপজেলা পরিষদ এলাকায় চার তলা বিশিষ্ট টুইন কোয়ার্টার নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে অপরিপক্ক স্থানীয়ভাবে উত্তোলন করা ঝিরি ঝর্ণার পাথর এবং নি¤œমানের রড। অভিযোগ দিয়েও কোন লাভ হয় না ঠিকাদার অফিস ম্যানেজ করে কোনরকম ভাবে কাজ সম্পাদন করে বিল উত্তোলন করে নেয়।
এবিষয়ে ঠিকাদার ফারুকের সাথে যোগাযোগ করা হলে অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন ‘স্থানীয় বা বিদেশী নয়, পাথর-বালির ক্ষেত্রে গ্রেড উল্লেখ থাকে। স্থানীয়ভাবে পাহাড়ের ঝিরি-ঝর্ণা থেকে উত্তোলন করা কোনো পাথর ভবন নির্মাণে ব্যবহার করা হয়নি। শতভাগ দরপত্র মেনে কাজটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নিবার্হী প্রকৌশলী আবু সাদত মো: জিল্লাুর রহমান বলেন, ‘ভবন নির্মাণে পাহাড়ের লোকাল পাথর ব্যবহারের কোন নিয়ম নাই। যদি ঠিকাদার থানচিতে টুইন কোয়ার্টার নির্মাণ কাজে লোকাল পাথর ব্যবহার করে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পাহাড়ের ঝিরি-ঝর্ণা থেকে পাথর উত্তোলনে সরকারি বিধি নিষেধ থাকলেও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ছত্রচ্ছায়ায় পাথর-খেকোরা পাহাড়ে পানির উৎস স্থলগুলো ধ্বংস করে ঝিরি-ঝর্ণাগুলো থেকে অপরিপক্ক পাথর উত্তোলন করে উন্নয়ন কাজের ঠিকাদারদের সরবরাহ করছেন। ফলে একদিকে পাহাড়ের ঝিরি-ঝর্ণা গুলো শুকিয়ে যাচ্ছে, অপরদিকে সরকারি উন্নয়ন কাজগুলোর টেকসই স্থায়িত্ব কমে যাচ্ছে।
মেহেদী হাসান : পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং পাহাড়ের সব সমà...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে একদিনে সফলভাবে সাতটি ছানি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দৃষ্à¦...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটিতে দুর্যোগে উপড়ে পড়া জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনের ছাতিম গাছটির স্থানে বাদাম গাছেà...বিস্তারিত
ওমর ফারুক সুমন : রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্à...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টনে আওয়ামী লীগের লাঠি-বৈঠার হামলা ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রাঙ...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটি শহরের ডিসি অফিস এলাকার বাসা থেকে আশিকুল ইসলাম (১৭) নামে এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে। গত ২৬ à...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited