নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১:২৪ পিএম, ২০২১-০৮-১০
ধর্ষণে শিকার হয়ে উপজাতি এক ত্রিপুরা তরুনী বিয়ের দাবিতে ১৫দিন ধরে অবস্থান করছে লামা পৌর সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাকেরা বেগমের বাসায়। তবে অভিযুক্ত ছেলেকে আত্মগোপনে পাঠিয়ে ঘটনা টাকায় ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছেন ওই কাউন্সিলর।
মঙ্গলবার (১০আগস্ট) দুপুর দুইটার দিকে এখবর জানতে পেরে সেই তরুনীর পাশে অবস্থান নিয়েছে লামা থানা পুলিশ। ওই তরুনীর দাবি কাউন্সিলর সাকেরা বেগমের ছেলে আলী হায়দার প্রকাশ সাগর এর সাথে বিয়ে ছাড়া এই বাড়ি ছাড়ছে না সে। আর এই বিয়ের জন্য সে নিজ ধর্মত্যাগ করে প্রয়োজনে ধর্মান্তরিত হতেও রাজি।
এর আগে এদিন দুপুর সাড়ে বারটার দিকে ওই তরুনীর গর্ভবস্থা জানতে তাকে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায় কাউন্সিলর সাকেরা। তার গর্ভে সন্তান আছে কিনা সেখানে তা পরীক্ষা-নীরিক্ষা করার পর ফের বাসায় নিয়ে আটকে রাখার খবর ছড়িয়ে পড়ে চার দিকে।
এদিকে এই ধর্ষণের খবর জানাজানি হওয়ার পর ওই তরুনীর মা-বাবা’সহ পুরো পরিবারকে সমাজচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেখানরকার পাড়াবাসি।
ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের লামার স্থানীয় প্রতিনিধি আজহা ত্রিপুরা জানান, বিয়ে বর্হিভুত ধর্ষণের শিকার হলে সমাজের আইন অনুযায়ি পাড়া পবিত্র করতে ধর্ষক দূ’টি শুকর ও মদকেনার প্রয়োজনীয় টাকা জরিমানা দিতে হয়। যে শুকরের রক্ত ও মদে উৎসব করে ধর্ষণের গ্লানি মূছে পাড়াকে পবিত্র করা হয়। না হয় ওই মেয়েকে পাড়ায় আর ঢুকতে দেয়া হয় না। এমনকী তার মা-বাবা’সহ পুরো পরিবারকে সমাজচ্যুত করা হয়।
পুলিশকে লিখিতভাবে দেয়া ওই তরুনীর ভাষ্য, উপজেলার সদর ইউনিয়নের র্দূগম পাহাড়ে তাদের বসবাস। এনজিওতে চাকরির সুবাধে লামা পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের নয়াপাড়া এলাকায় কাউন্সিলর সাকেরা বেগমের বাসায় গত বছরের এপ্রিল থেকে ভাড়ায় আছে সে। এই সময়ে ওই কাউন্সিলর পুত্র সাগর বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে ৪/৫ বার ধর্ষণ করে তাকে। এবার বিয়ের বিয়ের জন্য চাপ দিতেই ঘটনাটি চারদিকে জানাজানি হয়ে যায়।
ওই তরুনীর বাবা জানান, অন্ত:সত্তার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ই কিছু যুবক এক রাতে তার মেয়েকে ওই ভাড়া বাসা থেকে তাড়িয়ে দেয়। পরে সে পরে থানায় গিয়ে আইনের আশ্রয় চায়। তবে থানায় আইনের আশ্রয়ের পরিবর্তে উল্টো হুমকী নেমে আসে তার জীবনে। সাগর’র মা সাকেরা’সহ প্রভাবশালী নেতারা দফায় দফায় বৈঠক করে সিদ্ধান্ত দেন কিছু টাকা নিয়ে ঘটনা চেপে যেতে।
তবে ওই বৈঠকে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি জানান, সাকেরা কৌশলে ভুলভাল বুঝদিয়ে মেয়েটিকে আটকে রেখেছেন। চলমান লকডাউনের পর ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়ে ই এই তরুনীকে এলাকা ছাড়াকরার ছক করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কাউন্সিলর সাকেরা বেগম গণমাধ্যমে কোনো কথা বলবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। উপজাতি এই তরুনীর ধর্ষণ ও বিয়ের দাবিতে কাউন্সিলর’র বাসায় অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে বান্দরবান পুলিশ সুপার জেরিন আখতার বলেন, বিষয়টি আমি দেখছি।
আজগর আলী খান : রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় তামাক চাষের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কৃষকদের বি...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ২০১৯ সালে নিখোঁজ হওয়া মো. ইউসুফের দীর্ঘ সাত বছর পর সন্ধান মিলেছে সামাজিক যোগ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকে শান্তিলাল চাকমাকে জবাই করে হত্যা করে তার রক্ত পান করার ঘটনায় দায়েরকৃত...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটি সদর জোনের উদ্যোগে সাপছড়ি মধ্যপাড়া আয়শা বেগম এবাদতখানায় ফ্লোর ম্যাট বিতরণ করা হয়েছে। সো...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : যুবসমাজকে অসামাজিক ও অনৈতিক কার্যক্রম থেকে বিরত রেখে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে রাজনগর ব্...বিস্তারিত
মনির হোসেন : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্প...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited