গণভোট ও জুলাই সনদ চেয়ে জামায়াতের স্মারকলিপি।


নাজিম আল হাসান    |    ০৩:১১ পিএম, ২০২৫-১০-১২

গণভোট ও জুলাই সনদ চেয়ে জামায়াতের স্মারকলিপি।

রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার নিকট ৫ দফা দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
দাবির মধ্যে রয়েছে— জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি, গণভোট আয়োজন, জাতীয় নির্বাচনে পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতি চালু, সবার জন্য সমান রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং স্বৈরাচারী সরকারের দোসর রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা।

শনিবার (১১ অক্টোবর) সকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিনের কাছে স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন—জেলা আমীর অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল আলীম, নায়েবে আমীর মাওলানা মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, সেক্রেটারি মুহাম্মদ মছুরুল হক, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, ছাত্রশিবিরের জেলা সেক্রেটারি ইরফানুল হক, পৌর আমীর মো. মাইনুদ্দীন, এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপিতে বলা হয়— ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সফল গণঅভ্যুত্থনের পর জনগণের প্রত্যাশা ও জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়, যার প্রধান লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও স্বৈরাচারের অবসান
কিন্তু সরকার “জুলাই জাতীয় সনদ” প্রণয়ন করলেও এখনো তা আইনগতভাবে স্বীকৃতি পায়নি, যা জনগণের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আন্দোলনের লক্ষ্যকে ব্যর্থ করতে পারে।

জামায়াতে ইসলামী দাবি করে, নির্বাচনের আগে “জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ” জারি ও গণভোট আয়োজনের মাধ্যমে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।
তারা আরও বলে, অতীতের জুলুম-নির্যাতন, দুর্নীতি ও গণহত্যার বিচার এবং স্বৈরাচারী সরকারের সহযোগী দলগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, “দলটির উত্থাপিত পাঁচ দফা বাস্তবায়ন হলে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার হবে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে এবং ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন একটি গ্রহণযোগ্য পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।”