রাঙামাটিতে ইসলামী আন্দোলনের ৫ দফা দাবি পেশ।


নাজিম আল হাসান    |    ০৩:২৮ পিএম, ২০২৫-১০-১২

রাঙামাটিতে ইসলামী আন্দোলনের ৫ দফা দাবি পেশ।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, গণভোট আয়োজন ও স্বৈরাচারের দোসর রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

শনিবার (১১ অক্টোবর) সকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাঙামাটি জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমীন স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাঙামাটি জেলা সভাপতি আলহাজ্ব মো. জসিম উদ্দিন, সিনিয়র সহসভাপতি এনামুল হক মৃধা, সহ-সভাপতি এ.কে.এম ইসরাইল, সেক্রেটারি ওমর ফারুক, যুগ্ম সেক্রেটারি মুফতি আব্দুল মান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমাম হুসাইন, দপ্তর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম ও সহ-দপ্তর সম্পাদক দিদারুল আলম প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের প্রত্যাশা ও জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়।

সরকার জুলাই জাতীয় ঘোষণাপত্র ও সনদ প্রণয়ন করলেও তা এখনো আইনগত স্বীকৃতি পায়নি। এতে গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দাবি করে, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্য অবিলম্বে সংবিধান আদেশ জারি ও নির্বাচনের পূর্বে গণভোটের আয়োজন করতে হবে। পাশাপাশি কালো টাকা, পেশিশক্তি ও ভোট জালিয়াতি রোধে পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়।

ইসলামী আন্দোলনের ৫ দফা দাবি:
১️⃣ জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন।
২️⃣ জাতীয় নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি চালু।
৩️⃣ অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত।
৪️⃣ পূর্ববর্তী সরকারের জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার।
৫️⃣ স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা।

ইসলামী আন্দোলনের নেতারা বলেন, এই দাবিগুলো বাস্তবায়ন হলে জনগণের আস্থা ফিরে আসবে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন হবে গ্রহণযোগ্য ও গণতান্ত্রিক একটি নির্বাচন।