সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আত্মপ্রকাশ, ১৯ সদস্যের কমিটি ঘোষণা


সিয়াম    |    ০৩:৩৮ পিএম, ২০২৫-১০-২৭

সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আত্মপ্রকাশ, ১৯ সদস্যের কমিটি ঘোষণা

পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, সম্প্রীতি ও সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন সামাজিক সংগঠন “সিএইচটি সম্প্রীতি জোট” (CHT Harmony Alliance - CHA)

আজ সোমবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের মওলানা আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং শাক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিএইচটি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মেহেদী হাসান, নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন এবং স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির আহ্বায়ক জিয়াউল হক

অনুষ্ঠানের বিশেষত্ব ছিল পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বিভিন্ন জাতিসত্তার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। আয়োজকরা জানান, এই জোট খুমি, শাক, লুসাই, পাংখোয়া, বম, খিয়াং, ম্রো, গুর্খা, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা, মারমা, চাকমা ও বাঙালিসহ ১৪টি প্রধান জাতিসত্তার ঐক্য, সাংবিধানিক অধিকার ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের ১৯ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে আহ্বায়ক করা হয়েছে ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং শাক-কে, সদস্য সচিব ইখতিয়ার ইমন, মুখপাত্র পাইশিখই মার্মা এবং সদস্য হিসেবে শাহীন আলম, তন্ময় চৌধুরী, নিলা মং শাক প্রমুখের নাম ঘোষণা করা হয়।

প্রধান অতিথি তারেক রহমান বলেন, “দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারাদেশে সম্প্রীতি রক্ষা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের উদ্যোগ বহুজাতিসত্তার ঐক্য ও শান্তির নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।”

সভাপতির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং শাক বলেন, “আমরা কোনো বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই। আমাদের লক্ষ্য পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জনগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্য, শান্তি ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়া। বিভাজন নয়, মানবতার ভিত্তিতে ভ্রাতৃত্বই হবে আমাদের মূল শক্তি।”

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং নাগরিক সমাজের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।