চন্দ্রঘোনা হাসপাতালে নতুন প্রকল্পে তৃণমূলে বাড়বে স্বাস্থ্যসেবা


আইয়ুব চৌধুরী    |    ১১:৪৫ পিএম, ২০২৫-১২-০২

চন্দ্রঘোনা হাসপাতালে নতুন প্রকল্পে তৃণমূলে বাড়বে স্বাস্থ্যসেবা

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা খ্রিস্টিয়ান হাসপাতালের উদ্যোগে শুরু হয়েছে ‘কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রাম (CCHP)’–এর নতুন প্রকল্প।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য, পুষ্টি শিক্ষা এবং বিভিন্ন জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার হবে।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ উপলক্ষে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় হেডম্যান, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান খান বলেন, “চন্দ্রঘোনা খ্রিস্টিয়ান হাসপাতাল এবং সিসিএইচপি দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে।

তৃণমূল পর্যায়ে সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নতুন এই প্রকল্প সাধারণ মানুষের জন্য আরও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবে।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন চন্দ্রঘোনা খ্রিস্টিয়ান হাসপাতাল ও খ্রিস্টিয়ান কুষ্ঠ চিকিৎসা কেন্দ্রের পরিচালক ডা. প্রবীর খিয়াং।

প্রকল্পের বিস্তারিত উপস্থাপন করেন সিসিএইচপি’র প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিজয় মারমা। তিনি জানান, চন্দ্রঘোনা খ্রিস্টিয়ান হাসপাতাল সোস্যাল হেলথ অ্যান্ড এডুকেশন বোর্ড (SHED Board)-এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান, যা ১৯০৭ সাল থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে।

নতুন প্রকল্পের আওতায় মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা, গর্ভবতী ও প্রসূতি মা এবং শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টিবিষয়ক শিক্ষা, জেন্ডার সমতা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে জনসচেতনতা এবং সরকারের টিকাদান কার্যক্রমে সহায়তা করা হবে।

তিনি আরও জানান, চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং এটি আগামী তিন বছর চলমান থাকবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে অংশীদার হিসেবে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হিল ফ্লাওয়ার (Hill Flower)।

স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে পাহাড়ি প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ আরও দ্রুত ও সহজে স্বাস্থ্যসেবা পাবে।

বিশেষ করে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।