সাবেক কাউন্সিলরের এনসিপিতে যোগদান, স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম


মেহেদী হাসান    |    ০৩:৪৪ পিএম, ২০২৬-০১-১১

সাবেক কাউন্সিলরের এনসিপিতে যোগদান, স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া পৌরসভার রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে সাবেক কাউন্সিলর ও পৌর বিএনপির ১নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য আবু বকর সিদ্দিকীর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে যোগদান।

দুপচাঁচিয়া পৌরসভার দুইবার নির্বাচিত কাউন্সিলর আবু বকর সিদ্দিকী বুধবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বগুড়া জেলা এনসিপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগ দেন।

যোগদান অনুষ্ঠানে জেলা এনসিপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ তাকে ফুলের তোড়া ও মালা পরিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

উপস্থিত ছিলেন জেলা এনসিপির আহ্বায়ক এম এস এ মাহমুদ, সদস্য সচিব সুলতান মাহমুদ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট ইজাজ আল ওয়াসী, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত ইমরান, যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক বাবু বিশ্বাস, জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক মহিদ উল নবী মিশু, যুবশক্তির সদস্য সচিব ইয়াসিন আলী হিমেলসহ এনসিপি ও জাতীয় যুবশক্তির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

আবু বকর সিদ্দিকীর বিএনপির সঙ্গে পূর্ববর্তী সম্পর্ক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ভিন্নমত থাকায় এই যোগদানকে কেন্দ্র করে বিতর্কও সৃষ্টি হয়েছে।

জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট ইজাজ আল ওয়াসী বলেন, “আবু বকর সিদ্দিকী কখনোই বিএনপির দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হননি।

তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হলেও বিএনপির একজন সাধারণ সদস্য ছিলেন। এনসিপির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি আমাদের দলে যোগ দিয়েছেন।”

অন্যদিকে দুপচাঁচিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি সাইফুর রহমান বলেন, “তিনি বিএনপির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কখনো সক্রিয় ছিলেন না। একাধিকবার সভায় উপস্থিত হওয়ার অনুরোধ জানানো হলেও তিনি সাড়া দেননি।”

নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে আবু বকর সিদ্দিকী বলেন, “আমি বিএনপির দলীয় প্রতীক নিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হইনি।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দুইবার নির্বাচিত হয়েছি। বিএনপিতে আমার কোনো পদ ছিল না। তবে সাধারণ সদস্য হওয়ার জন্য ফরম উত্তোলন করেছিলাম।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই যোগদান শুধুমাত্র দল পরিবর্তনের ঘটনা নয়; বরং স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন শক্তি বিন্যাস ও ভবিষ্যৎ সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।