গোলামুর রহমান-লংগদু | ০৯:১০ পিএম, ২০২৬-০৫-২১
রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার গুলশাখালী ইউনিয়নের সোনারগাঁও ৩নং ওয়ার্ডে গৃহবধূ হাফসা (২২) ও তার তিন বছরের শিশু সন্তান নিখোঁজ হওয়ার ১১ দিন পার হলেও এখনো তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মে শুক্রবার বিকেলে হাফসা তার শিশু সন্তানসহ নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন।
ঘটনার দুই দিন পর লংগদু থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার স্বামী আজিজুল। এরপর থেকে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ চালালেও এখনো পর্যন্ত মা ও শিশুর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
স্বামী আজিজুল জানান, ঘটনার দিন বিকেলে তিনি তার ভাবিকে নিয়ে চৌমুহনী বাজারে চিকিৎসকের কাছে যান।
সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে তার মা ফোন করে জানান, হাফসা বাসায় নেই। পরে পরিবারের সবাই খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরদিনও কোনো সন্ধান না পেয়ে থানায় জিডি করা হয়।
তবে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, কারণ নিখোঁজের পরপরই হাফসার পরিবারের সদস্যদের কিছু জানানো হয়নি।
এ বিষয়ে আজিজুল বলেন, “স্ত্রীর পরিবারের সঙ্গে মামলা ও পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলমান থাকায় রাগের বশে তাদের জানানো হয়নি।”
তিনি আরও দাবি করেন, কিছুদিন আগে তার স্ত্রীর করা একটি মামলা আপসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলেও দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ পুরোপুরি শেষ হয়নি। বর্তমানে উভয় পক্ষের মধ্যেই একাধিক মামলা চলমান রয়েছে।
এদিকে হাফসার বড় ভাই আক্কাস আলি অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের পর থেকেই তার বোনকে নির্যাতন করা হতো।
একাধিকবার স্থানীয়ভাবে বিচার-সালিশ হলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। পরে তিনি নিজে বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন, যা পরবর্তীতে আদালতে মামলায় রূপ নেয়।
আক্কাস আলির ভাষ্য, “মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আমার বোনের ওপর বারবার চাপ দেওয়া হচ্ছিল। হঠাৎ করে বোন সন্তানসহ নিখোঁজ হয়ে যায়।
বিষয়টি আমাদের পরিবারকে জানানোও হয়নি। আমরা আশঙ্কা করছি, তাকে গুম বা কোথাও লুকিয়ে রাখা হয়েছে।”
তিনি প্রশাসনের কাছে দ্রুত তার বোন ও ভাগ্নেকে উদ্ধারের দাবি জানান।
স্থানীয়দের মধ্যেও এ ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, গুলশাখালী এলাকায় অতীতেও হত্যা ও গুমের মতো ঘটনা ঘটেছে।
তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে মা ও শিশুকে উদ্ধার করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকারিয়া জানান, “স্বামীর পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
পুলিশের একটি টিম বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। এখন পর্যন্ত তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। মা ও শিশুকে উদ্ধারে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।”
নিজস্ব প্রতিবেদক : খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ২০১৯ সালে নিখোঁজ হওয়া মো. ইউসুফের দীর্ঘ সাত বছর পর সন্ধান মিলেছে সামাজিক যোগ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকে শান্তিলাল চাকমাকে জবাই করে হত্যা করে তার রক্ত পান করার ঘটনায় দায়েরকৃত...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটি সদর জোনের উদ্যোগে সাপছড়ি মধ্যপাড়া আয়শা বেগম এবাদতখানায় ফ্লোর ম্যাট বিতরণ করা হয়েছে। সো...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : যুবসমাজকে অসামাজিক ও অনৈতিক কার্যক্রম থেকে বিরত রেখে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে রাজনগর ব্...বিস্তারিত
মনির হোসেন : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্প...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : রোগীর পাশে যখন আপনজন থাকে না, তখন হাসপাতালই হয়ে ওঠে তাঁর সবচেয়ে বড় আশ্রয়। আর চিকিৎসাসেবার মূল ভিত...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited