বান্দরবানে মাহিন্দ্রা চালকের বিরুদ্ধের সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ


বান্দরবান প্রতিনিধি    |    ০২:৪৬ পিএম, ২০২২-০৫-০৩

বান্দরবানে মাহিন্দ্রা চালকের বিরুদ্ধের সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ

॥ বান্দরবান প্রতিনিধি ॥

বান্দরবানে মাহিন্দ্রা মিনি জীপের ধাক্কায় মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াকে কেন্দ্র করে উল্টো সংঘবদ্ধ ভাবে হামলার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার বিকালে বান্দরবান সদর পর্যটন নীলাচল সড়কের টাইগার পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

বান্দরবান সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) কানন চৌধুরী ঘটনাটি ব্যাপারে সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি জানিয়েছেন, সন্ধায় বান্দরবানে শহর নিলাচল সড়কে টাইগার পাড়া এলাকায় চার চাকা চালিত মাহিন্দ্রা (চাদের গাড়ি) চালক উশৃংখল ভাবে তিনজনকে মারধর করেছে।  সে প্রেক্ষিতে গতকাল রাতে সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করছেন আহত ব্যক্তিরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নীলাচল সড়কের টাইগার পাড়ায় বট গাছের নিচে মোটরসাইকেলটি রাস্তার পাশে পার্কিং অবস্থায় ছিল। ইউসুফ নামের মাহিন্দ্রা (চান্দের গাড়ি) চালক গাড়িটি ঘুরাতে গিয়ে পার্কিং অবস্থায় থাকা মোটরসাইকেলটির পিছনে ধাক্কা দেয়। ওই মূহুর্তে মোটরসাইকেলটির পিছনের অংশ দূমড়ে-মুচড়ে যায়।

পরে মোটরসাইকেল মালিক শচীন তঞ্চগ্যা ক্ষতিপূরণ চাইতে গেলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও হুমকি দিয়ে ড্রাইভার ইউসুফ যাত্রী নিয়ে বান্দরবান উদ্দেশ্য রওনা দেয়।

ঘটনার ঘন্টা খানেক পর ইউসুফের নেতৃত্বে দুই মাহিন্দ্রা মিনি জীপ ভর্তি আনুমানিক ২৫-২৮ জন অজ্ঞাত লোক এলাকায় এসে অতর্কিতভাবে হামলা চালায় মোটর সাইকেল মালিকসহ আরো দুইজনকে।

ঘটনাস্থলে আহত হয় হন-সব না অং তঞ্চগ্যার মেয়ে শ্যামলী তঞ্চগ্যা, কমল তঞ্চগ্যার দুই ছেলে শচীন ও দিলিপ তঞ্চগ্যা এবং রাসেল নামে অপর একজন আহত হয়।

রাসেল ও দিলিপ গুরুতর আহত হওয়ায় তাদের বান্দরবান সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

টাইগার পাড়া এলাকার না অং তঞ্চগ্যার মেয়ে শ্যামলী তঞ্চগ্যা বলেন, চালক ইউসুফের দলবল  মিলে শচীন ও দিলিপ তঞ্চগ্যাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। ঐসময়  রাসেলদেরকে বাধা দিতে গেলে ওই মূহুর্তে আমার উপরও চড়াও হয়ে আমার জামা কাপড় ছিড়ে আমাকে শারীরিক নির্যাতন করে। এসময় আমার কোলে নবজাতক তিন মাসের সন্তান ছিল।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো.ইউসুফ এর সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার পরও কোনো সাড়া মেলেনি।

বান্দরবান জীপ মাইক্রোবাস চালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল জানান, মারামারির ঘটনাটি শুনেছি এবং ইউসুফের ভাইসহ আহতদের দেখতে হাসপাতালে যাচ্ছি।

বান্দরবান সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) কানন চৌধুরী জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।