মহাণ মে দিবস পালনে রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসনের বর্ণাঢ্য আয়োজন


আলমগীর মানিক    |    ০৪:০২ পিএম, ২০২৫-০৫-০১

মহাণ মে দিবস পালনে রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসনের বর্ণাঢ্য আয়োজন

"মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত  স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস, ২০২৫" যথাযথ মর্যাদা এবং উৎসব মুখর পরিবেশে রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহর নেতৃত্বে র‍্যালি এবং  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত অনুষ্ঠানে, সিভিল সার্জন ডা: নূয়েন খীসা, পুলিশ সুপার ড. ফরহাদ হোসেন, বিএনপি 'র নেতা এড: মামুনুর রশিদ মামুন, জামায়াতের আমির আব্দুল আলীম, রাঙ্গামাটি জেলা অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক,মো: মিজানুর রহমান বাবু, রাঙ্গামাটি জেলা কার-মাইক্রো শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো: ইসমাইল, রাঙ্গামাটি জেলা ট্রাক-পিকাপ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক , মো: সিরাজুল ইসলামসহ বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠনের শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এবং শ্রমিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে র‍্যালিতে  অংশগ্রহণ করেন এবং আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন।  

মহান মে দিবসের ২০২৫ এর প্রতিপাদ্য হচ্ছে "শ্রমিক মালিক এক হয়ে গড়বো এ দেশ নতুন করে "এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি  দিবস ২০২৫ এর প্রতিপাদ্য হচ্ছে "শ্রমজীবী মানুষের অধিকার বৈষম্যহীন বাংলাদেশের অঙ্গীকার"।

তীব্র প্রতিযোগিতামূলক মুক্তবাজার অর্থনীতির বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায়  দেশীয় শিল্পকে  টিকিয়ে রাখতে হলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সাথে সাথে শ্রমিকদের  শোভন কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বর্তমান দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। একইসাথে, শিশুদেরকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে যাতে নিয়োগ করা না হয় সেজন্য মালিক শ্রমিক সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো হয়। 

উক্ত অনুষ্ঠান উপলক্ষে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর রাঙ্গামাটি কার্যালয় হতে, বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত শ্রমিকদের সুরক্ষায় করণীয় এবং আইনগত বিভিন্ন বিষয়ের লিফলেট বিতরণ করা হয়। শ্রমিক  কর্মক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হলে এবং শ্রমিকদের আইনগত পাওনাদি  অনাদায়ী থাকলে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এর হট লাইন নাম্বার ১৬৩৫৭(টোল ফ্রি) অভিযোগ জানানোর বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে উপস্থাপন করা হয়।

মালিক, শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে পেশাগত স্বাস্থ্য সেফটি নিশ্চিত করার মাধ্যমে শোভন কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করলে দেশ সমৃদ্ধ হবে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের মাধ্যমে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বাংলাদেশকে উন্নত জাতি হিসেবে বিশ্বের বুকে আত্মপ্রকাশ করবে এ অভিপ্রায় ব্যক্ত করা হয়।