রাঙামাটির ৪৮তম পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব নিলেন রকিব


মেহেদী হাসান    |    ০৯:৫৬ পিএম, ২০২৫-১১-৩০

রাঙামাটির ৪৮তম পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব নিলেন রকিব

রাঙামাটি পার্বত্য জেলার নবাগত পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম আজ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।

সকালেই তিনি রাঙামাটি পুলিশ সুপার কার্যালয়ে পৌঁছালে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। পরে জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল নবাগত পুলিশ সুপারকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ এবং ইউনিট ইনচার্জদের সঙ্গে পরিচয় বিনিময় করেন।

পরবর্তীতে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিনি সকল সার্কেল কর্মকর্তা ও ইউনিট প্রধানদের বক্তব্য শ্রবণ করেন এবং জেলা পুলিশের সার্বিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, দক্ষ ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, নবাগত পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম ২৫তম বিসিএস ব্যাচের একজন মেধাবী কর্মকর্তা।

তিনি রাঙামাটি পার্বত্য জেলার ৪৮তম পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন। এর আগে তিনি চাঁদপুর জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন—
জনাব মোঃ ইকবাল হোছাইন, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ);
জনাব মোঃ জসীম উদ্দীন চৌধুরী, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) ও অতিরিক্ত দায়িত্বে (ক্রাইম অ্যান্ড অপস);
জনাব মোঃ জাহেদুল ইসলাম, পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, কাপ্তাই সার্কেল;
জনাব আসিফ ইমাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, বরকল সার্কেল;
জনাব মাহমুদুল হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার, বাঘাইছড়ি সার্কেল;
জনাব মোঃ নুরুল আমীন, সহকারী পুলিশ সুপার, রাজস্থলী সার্কেল;
জনাব মোজাম্মেল হক, সহকারী পুলিশ সুপার (এসএএফ);
সব থানার অফিসার ইনচার্জ, ইউনিট ইনচার্জ, জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্য ও সিভিল স্টাফবৃন্দ।

দায়িত্বভার গ্রহণের পর পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম সাংবাদিক ও কর্মকর্তা–কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বলেন,
“রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ জনগণের সেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি—এসব কার্যক্রমে সকল কর্মকর্তা ও সদস্যদের সমন্বয়ে কাজ করা হবে। জননিরাপত্তা, সদিচ্ছা এবং পেশাদারিত্ব আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।

জনগণ যেন পুলিশকে তাদের বন্ধু ও সহায়ক হিসেবে দেখতে পারে।